মিজানুর রহমান মিন্টু জয়পুরহাট : জয়পুরহাট সদর উপজেলার জিতারপুর এলাকার একটি আখক্ষেত থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির গলিত মরদেহের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) দুপুরে স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় সদর থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে জিতারপুর এলাকার আখক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় কৃষকরা একটি কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখেন। দুর্গন্ধ ছড়ালে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করে। স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ওই ব্যক্তিকে হত্যার পর মরদেহ আখক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু শাহীন কাদির বলেন, “মরদেহটি পচে গিয়ে কেবল কঙ্কাল অবশিষ্ট থাকায় এটি পুরুষ না নারীর, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটির নিবিড় তদন্ত চলছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পরিচয় জানা যাবে।”এদিকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি সম্প্রতি নিখোঁজ হওয়া এক অটোভ্যান চালকের বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুক্তারুল ইসলাম জানান, গত ২০ আগস্ট সকালে ক্ষেতলাল উপজেলার হোপীরহাট গ্রামের ফরিদ হোসেন (৪৫) অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
জিডির সূত্র ধরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার পাকার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে নিখোঁজ ফরিদের অটোভ্যানটি উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের সাথে থাকা পোশাক দেখে তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন, এটি নিখোঁজ ফরিদ হোসেনের মরদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কিউএনবি/আয়শা/২৫ অগাস্ট ২০২৬,/রাত ৮:২২