জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার বাইল্যাছড়ি এলাকায় পথচারী ও যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে নবনির্মিত একটি যাত্রীছাউনি উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে যাত্রীছাউনিটি নির্মাণ করে দিয়েছেন মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহ জালাল কাজল।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাইল্যাছড়ি এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবনির্মিত যাত্রীছাউনিটির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. মাসুদ খাঁন পিএসসি। এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.জিয়াউর রহমান, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নারায়ন ত্রিপুরা, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুনি ত্রিপুরা, সহস্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
যাত্রীছাউনিটি নির্মাণের ফলে বাইল্যাছড়ি এলাকার বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যাত্রীদের রোদ-বৃষ্টি থেকে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় যানবাহনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, বাইল্যাছড়ি এলাকায় যাত্রীছাউনি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। নতুন যাত্রীছাউনিটি নির্মাণ হওয়ায় এ দুর্ভোগ থেকে তারা স্বস্তি পাবেন।
মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহ জালাল কাজল বলেন, “বাইল্যাছড়ি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে যাত্রীছাউনিটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধায় এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে। যাত্রীছাউনিটি স্থানীয় মানুষের উপকারে আসবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছোট ছোট অবকাঠামো নির্মাণেও সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা উচিত। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ হবে।
মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. মাসুদ খাঁন পিএসসি বলেন, “সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মিত এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। যাত্রীছাউনিটি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের উপকারে আসবে। মানুষের কল্যাণে ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।”তিনি আরও বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।