অভিযোগে আরও বলা হয়,জমি ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি রাশেদ তাকে গালিগালাজ করেন এবং টাকা পরিশোধ না করলে জমিতে যেতে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ বিষয়ে মধ্যপাড়ার(ভাটার ডাঙার)আ:মোতালেব এর পুত্র অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলাম বলেন, “আমার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য একটি চক্রের মাধ্যমে পড়ে ওই জাল স্বাক্ষরের নাটক তৈরি করেছি। কাজটি আমি ভুল করেছি।” চক্রের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন,কাঠ ব্যাবসায়ী লাবলুর পাল্লায় পড়ে তিনি এই অনিয়মটি করেছেন। এসময় তিনি ফাঁড়িতে করা অভিযোগ থেকে বাঁচতে সংবাদকর্মীর সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি তার দেড় লক্ষ টাকার দাবীও তিনি ছেড়ে দেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ,কথিত জাল দলিল তৈরির পেছনে মধ্যপাড়া(মুন্সিপাড়ার)মৃত-অহিদুল ইসলামের পুত্র স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী লাবলু মিয়ার পরামর্শ ও ভূমিকা রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে লাবলু বন বিভাগের চোরাই গাছের অবৈধ কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন,বন বিভাগের জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে লিখিয়ে পরে তা দখলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে লাবলু মিয়ার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে তদন্ত কর্মকর্তা মহসিন আলী জানান,অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে ফাঁড়িতে আসতে বলা হলেও বিবাদী রাশেদুল ইসলামকে কোন ভাবেই উপস্থিত করা সম্ভব হয়নি। মধ্যপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে,লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে।বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য,প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব বিষয়ই অভিযোগকারীর বক্তব্য ও স্থানীয় কয়েকজনের দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তাধীন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষে প্রকৃত বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।