ডেস্ক নিউজ : গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে কানাডায় পর্যটন খাতে ব্যাপক স্থবিরতা নেমে এসেছে। বছরের এই সময়টায় সবচেয়ে বেশি লাভজনক ব্যবসা করে দেশটির পর্যটন ও ভ্রমণখাত। কিন্তু এ বছরের চিত্র একেবারেই ভিন্ন।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন ভিসা সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে বিদেশগামী পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি ও পর্যটন খাতেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ভাড়া কয়েক গুণ বেড়েছে। কিছু গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট সীমিত হওয়ায় টিকিট সংকটও তৈরি হয়েছে।
সীমিত ভিসা সুবিধা ও আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়ার কারণে দেশ-বিদেশ ভ্রমণ খাত এবং পর্যটন খাতে বড় ধরনের মন্দা দেখা দিয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনপ্রিয় অনেক গন্তব্যে ভিসা জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত ভ্রমণকারীরা বিদেশ সফর কমিয়ে দিচ্ছেন।
ভ্রমণকারীদের অভিযোগ, ভারত, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো নতুন গন্তব্যেও সীমিত করা হয়েছে ভিসা সুবিধা। থাইল্যান্ডের ভিসা পেতেও দীর্ঘ সময় লাগছে এবং অনেক আবেদন বাতিল হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে স্কুল বন্ধ থাকায় প্যারেন্টসরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমণে বের হয়। কিন্তু দিন দিন জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি ও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর বেশিরভাগ পরিবার তাদের ভ্রমণ স্থগিত করেছে। এমনকি কানাডার মধ্যে অভ্যন্তরীণ রুটেও ব্যক্তিগত ভ্রমণ স্থগিত করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে পর্যটন ও ভ্রমণখাতের মন্দা দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে নীতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কিউএনবি/অনিমা/০২ জুন ২০২৬,/রাত ৯:১০