বড়পুকুরিয়ার কয়লায় আগুন, অপচয় রোধে নেই কোন উদ্বেগ, লাভবান হচ্ছে গাদ ব্যবসায়ীরা
মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ দিনাজপুর প্রতিনিধি ।
Update Time :
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
৪৯
Time View
মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। দেশের উত্তর অঞ্চলের প্রথম উৎপাদনশীল কয়লার খনি। উৎপাদনের পর থেকে বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে পার্শ্ববর্তী বড় পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট ১৫০/৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছিল।
২০২১ সাল থেকে প্রথম ইউনিট বন্ধ হয় ফলে উৎপাদন কমে যায়। এরপর গত ২৪ সালের শেষের দিকে দ্বিতীয় ইউনিটটি ও বন্ধ থাকে।যার ফলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কয়লা রাখার জায়গা সংকঠ দেখা দেয়। পরবর্তীতে 2025 সালের শেষের দিকে দ্বিতীয় উনিটি পুনরায় চালু হয়। বর্তমানে বড় পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট টিও বন্ধ রয়েছে।দ্বিতীয় ইউনিটটি ৩০ থেকে ৫০ মেঘাওয়াড পর্যন্ত উৎপাদনে রয়েছে।
বড়পুকুরিয়ার কোল ইয়াডে কয়লা রাখার তেমন জায়গা নেই তবুও কয়লা উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে খনি কর্তৃপক্ষ। দিন দিন তাপমাত্রা বেশি হওয়ার কারণে গত মার্চ মাস থেকে কয়লার স্তূপে আগুন লাগার ঘটনা ঘটছে, যার ফলশ্রুতিতে কয়লায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ লিটার পানি দেওয়া হয় সেই পানির সাথে কয়লার ডাস ও ক্ষুদ্র কয়লা ড্রেনের পানিতে বের হয়ে যাচ্ছে এতে করে প্রতিদিন টনে টনে কয়লার ঘাড়তি যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অদক্ষ ও অযোগ্য কর্মকর্তার কারণে কোল ইয়ার্ডের রক্ষণাবেক্ষণ ও অপচয় রোধে স্থায়ী কোন পদক্ষেপ নেই। যার কারনে গাদ ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গাদ ব্যবসায়ী বলেন আমরা আগে কয়েক সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১ থেকে দেড় টন কয়লার গাদ উত্তোলন করতে পারতাম এখন প্রতিদিন ১০ টন থেকে ১৫ টন গাদ উত্তোলন করা হচ্ছে ।
এ বিষয়ে বড় পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিকদের জানান, আমাদের উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে কোল ইয়াডে জায়গা নেই কয়লা রাখতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। অপরদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।