শ্যামপুর থানার এসআই মহিউদ্দিন জানান, সোমবার রাতে শ্যামপুর থানাধীন পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাত একটি ট্রাকের ধাক্কায় আব্দুর রহিম গুরুতর আহত হন। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। পথচারীরা বিষয়টি দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে তিনি মারা যান। নিহত আব্দুর রহিম সিরাজগঞ্জের তারাশ উপজেলার উত্তর মথুরাপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মুগদা থানাধীন মুগদা হাসপাতালের পাশে স্টাফ বাসের ধাক্কায় নিহত হন নয়ন মনি (৪৬) নামে এক গার্মেন্টসকর্মী।
নিহতের স্বামী আব্দুল হামিদ জানান, নয়ন মনি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। কর্মস্থলের স্টাফ বাসে করে মুগদা হাসপাতালের সামনে নামার পর রাস্তা পার হওয়ার সময় একই বাসের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে মুগদা থানার এসআই আবু তারেক দিপু মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠান। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যান। এ ঘটনায় বাস ও চালককে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
নিহত নয়ন মনি শরিয়তপুর জেলার পালং উপজেলার কুয়ারপুর গ্রামের আব্দুল হকের মেয়ে। তিনি চা-দোকানি আব্দুল হামিদের স্ত্রী এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন।