রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,এই তিনটি আসনে যে দলের প্রার্থী জয়লাভ করে সে দলই প্রতিবার সরকার গঠন করে। বহুল প্রচলিত এ কথাটি নির্বাচনের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে এটি প্রমাণিত হয়েছে।
সিলেট-১: (দেশের মর্যাদাপূর্ণ আসন)
বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে সিলেট ১ একটি মর্যাদাপূর্ণ আসন হিসেবে পরিচিত।অতীতে এ আসন থেকে যে দলের প্রার্থী জয়লাভ করেছে তারা সরকারের ভেতরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছে। সিলেট-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শুরুতে প্রচার- প্রচারণায় এগিয়ে ছিলেন।
এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানও দিনশেষে প্রচাণায় এগিয়ে গেছেন। ফলে এই আসনে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
চট্টগ্রাম-৯: (শহরের রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র)
চট্টগ্রাম-৯: চট্টগ্রাম শহরের বাকলিয়া, চকবাজার এবং কোতোয়ালী থানা নিয়ে গঠিত এই আসনটি শহরের রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র।এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান ও জামায়াতের ফজলুল হকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।আশির দশকের ছাত্রনেতা আবু সুফিয়ান নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সব আন্দোলনেই রাজপথে সরব রয়েছেন।
কক্সবাজার-৪ (সংবেদনশীল আসনটিতে লড়ছেন জেলার শীর্ষ নেতারা)
মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা পুরো দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল আসনটি হচ্ছে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ)।এখানে রোহিঙ্গা সংকট, মাদক- মানব পাচার এবং আন্তসীমান্ত নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত বিষয়। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী অভিজ্ঞ রাজনীতিক, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এবং চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছেন জামায়াতের প্রার্থী এবং কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর নূর আহমদ আনোয়ারী।এখানে রাজনৈতিক জটিল সমীকরণে শেষ মুহুর্তে এসে কে জিতবে তার জন্য অপেক্ষা করতে ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত।
কিউএনবি/আয়শা/১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ২:৪৩