শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা ‘বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে’ ‘ইসি ও একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে’ তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২১৭ গ্রিনল্যান্ড দখলে সমর্থন না দিলে ইউরোপকে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের নরসিংদীতে ছাত্রদল কর্মী হত্যাকাণ্ডে র‍্যাবের অভিযানে দুইজন গ্রেফতার  বাংলাদেশ ম্যাচে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী ইরানকে ধন্যবাদ দিলেন ট্রাম্প! গ্রিনল্যান্ড দখলে সমর্থন না দিলে ইউরোপকে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

‘বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে’

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং সম্মিলিত পদক্ষেপের পক্ষে। আমরা আলোচনা, আস্থা বৃদ্ধি ও অভিন্ন উদ্বেগের বিষয়ে সহযোগিতামূলক সমাধানকে সমর্থন করি।

আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) আয়োজিত ‘নেক্সট জেনারেশন প্রফেশন : কনভার্জিং এথিক্যাল এআই অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা, আস্থা ও সহযোগিতামূলক সমাধান প্রচারে বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই রিপোর্টিংয়ের সমন্বয় ক্রমেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। কারণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী পেশাকে রূপান্তরিত করছে। একইসঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার ওপর বৈশ্বিক গুরুত্ব বাড়ছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক সংহতি জোরদার করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি উল্লেখ করেন, পেশাদারদের শুধু প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হওয়া নয়, বরং নৈতিকভাবে দৃঢ় ও দায়বদ্ধ থাকা প্রয়োজন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, সাফা সম্মেলনের মতো মঞ্চ জ্ঞানের আদান-প্রদান, সেরা পন্থা-পদ্ধতিগুলো ভাগ করে নেওয়া এবং অর্থবহ সহযোগিতার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরো বলেন, এই সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া এবং এর বাইরেও বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী এবং চিন্তাবিদদের একত্রিত করেছে দেখে আমি উৎসাহ বোধ করছি।

এদিকে সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বৈশ্বিকভাবে অ্যাকাউন্টিং পেশা একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। কারণ, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং টেকসই রিপোর্টিং একত্রিত হতে শুরু করেছে, যা ব্যবসায়িক ঝুঁকি, বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা এবং জনসাধারণের আস্থাকে পুনর্গঠন করছে।

সাফা সম্মেলনে আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে তিনটি টেকনিক্যাল অধিবেশন এবং একটি সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান এবং ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ এইচ এম আহসান  বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি একইসঙ্গে সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। তিনি উল্লেখ করেন, এআই-চালিত সিস্টেম দক্ষতা বৃদ্ধি ও কমপ্লায়েন্স জোরদার করতে পারে। তবে, শক্তিশালী নৈতিক সুরক্ষা ছাড়া এগুলো অ্যালগরিদমিক যোগসাজশ, অস্বচ্ছতা এবং বর্জনমূলক চর্চার মতো ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এই প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ হিসাব পেশা সংস্থার প্রধান, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইএফএসি)-এর সভাপতি জ্যঁ বুকো আইসিএবি’র আমন্ত্রণে ঢাকায় এই সম্মেলনে অংশ নেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফার উপদেষ্টা আশফাক ইউসুফ তোলা।

জ্যঁ বুকো বলেন, সততা ও জনস্বার্থকে কেন্দ্র করে এআই পরিচালনা করতে পারলে হিসাববিদরা অনিশ্চয়তাকে সুযোগে পরিণত করতে পারবেন এবং আরো টেকসই ও সহনশীল একটি অর্থনীতি গঠনে অবদান রাখতে পারবেন।

তিনি নৈতিক এআই এবং টেকসই রিপোর্টিংয়ের বৈশ্বিক প্রাসঙ্গিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মোবিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন কমিটির চেয়ারম্যান ও আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেনও বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি ও রহমান রহমান হক, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস’র সিনিয়র পার্টনার আদীব হোসেন খান।

তিনি বলেন, ‘টেকসই প্রতিবেদন ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আর দূরবর্তী কোনো ধারণা নয়, এটি ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টি, পরিমাপ ও প্রকাশের কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।’

আদীব হোসেন খান পেশাজীবী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং মান-নির্ধারকদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে এআই-সক্ষম টেকসই রিপোর্টিং স্বচ্ছ, ব্যাখ্যাযোগ্য এবং বৈশ্বিক মান ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

কিউএনবি/অনিমা/ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬,/সন্ধা ৭:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit