ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর অদূরে পরিকল্পিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে ঘিরে দেশের ইতিহাসে পুলিশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও জনবল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্বাচলকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তরে এই বিশাল প্রস্তাবনা এখন বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিকল্পনা অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ভবিষ্যতে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হতে পারে। এখানে থাকবে সরকারি আবাসন, কূটনৈতিক এলাকা, আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক হাব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। এ কারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা থেকে প্রস্তাবনায় শুরু থেকে এলাকাটিকে ডিএমপির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে আধুনিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, পূর্বাচলে অপরাধ প্রতিরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি সাড়া এবং ভবিষ্যৎ সন্ত্রাসঝুঁকি মোকাবিলায় এই বিশাল পুলিশ অবকাঠামো অপরিহার্য। পুরো এলাকা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় আনতে প্রশাসনিক অনুমোদন আবশ্যক।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ভবিষ্যতে এখানে বিপুল জনসংখ্যার বসবাস হবে। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এলাকাটিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, এই কাঠামোর জন্য বিভিন্ন পদমর্যাদায় মোট ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় আছে। অনুমোদন পেলে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে।
কিউএনবি/খোরশেদ/০৫ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১২:৩০