বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার’ হওয়া উচিত : শি জিনপিং অস্ট্রেলিয়া সরকারের ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে ওপেনএআই জাতিসংঘ অকার্যকর সংস্থা: আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট সাফের আগে ইন্দোনেশিয়া সফরে জয়ের প্রত্যাশা জামালের গোপালগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্র নিহত বাংলাদেশ-রাশিয়ার সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস চীনকে দীর্ঘস্থায়ী রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করল নিউজিল্যান্ড নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

খালিদ বিন ওয়ালিদের বায়োপিক নির্মাণ করবেন ‘গেম অব থ্রোনস’ পরিচালক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৫ Time View

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্র নির্মাণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তি হিসেবে দ্রুত উত্থান হচ্ছে সৌদি আরবের। সম্প্রতি ‘রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো তাদের নতুন ও অত্যাধুনিক প্লেমেকার স্টুডিওসের যাত্রা। রিয়াদের পশ্চিমে কিদ্দিয়া শহরে অবস্থিত ৫০ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই স্টুডিওটি সৌদি ফিল্ম সেক্টরের জন্য এক বিশাল মাইলফলক।

এই সুবিশাল স্টুডিওতে প্রথম যে বড় চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে, সেটি হলো— ‘আনব্রোকেন সোর্ড’ (Unbroken Sword)।

কেন ছবিটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

ঐতিহাসিক অ্যাকশন ফিচার এই ছবিটি হলিউডের অভিজ্ঞ পরিচালকের হাতে নির্মিত হচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করছেন আলিক সাখারভ, যিনি গেম অব থ্রোনস, হাউস অব কার্ডস এবং ওজার্ক-এর মতো বিশ্বখ্যাত সিরিজের জন্য পরিচিত। এতে আরও কাজ করছেন ‘হাউজ অব দ্য ড্রাগন’-এর জন্য পরিচিত ব্রিটিশ প্রযোজক রিচার্ড শার্কি।

সপ্তম শতকের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্রটির মূল চরিত্র হলেন বিখ্যাত আরব যোদ্ধা খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ। তিনি মরুভূমির প্রতিকূলতা পেরিয়ে রোমান এবং পারস্য সাম্রাজ্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

২০২৬ সালের প্রথম দিকেই ছবিটির মূল চিত্রগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে ২০০ জনেরও বেশি কর্মী প্রি-প্রোডাকশনের কাজ করছেন।

প্লেমেকার স্টুডিওস-এর লক্ষ্য ও পরিকল্পনা

কিদ্দিয়া ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি দ্বারা সমর্থিত এই স্টুডিওটি কেবল সৌদি আরবের সিনেমা তৈরির কেন্দ্র হবে না, এটি বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও আকর্ষণ করবে।

এই স্টুডিওতে বিশাল ব্যাকলট ছাড়াও বর্তমানে দুটি সাউন্ডস্টেজ রয়েছে, এবং ২০২৬ সালের মধ্যে আরও দুটি সাউন্ডস্টেজের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা।

প্রযোজকদের আকৃষ্ট করতে সৌদি আরব ৪০% প্রোডাকশন রিবেট (উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ছাড়) সুবিধা দিচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের অংশ হিসেবে প্লেমেকার স্টুডিওসে পোস্ট-প্রোডাকশন, ভিএফএক্স (VFX) এবং মিউজিক স্টুডিও যুক্ত করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

সৌদি আরব ২০৩০ সালের মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ১০০টি চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে বৈশ্বিক চলচ্চিত্র নির্মাণের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/০৯ ডিসেম্বর ২০২৫,/দুপুর ২:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit