সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যে সূত্রে স্যুটকেসে পাওয়া ব্রিটিশ নারীর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের নতুন আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বোমা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী অভিবাসী ঠেকাতে স্পেনের ৫০০ মিটার দীর্ঘ সামুদ্রিক বাঁধ নির্মাণ দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী গাজা যুদ্ধের প্রভাব মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে হরমুজ প্রণালি খোলা বা বন্ধ রাখা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে: ইরান স্পেনে ঢুকেও মেলেনি আশ্রয়, রাস্তায় মরক্কোর শত শত নাগরিক রুট নেতৃত্বে ফেরায় অবাক গিলক্রিস্ট ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন, টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : মুফতি জাকারিয়া হারুন

সুরা নাস

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾  مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾﴾اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۬ۙ الۡخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾الَّذِیۡ یُوَسۡوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ﴿۶

 

উচ্চারণ : ১.কুল আউযু বি-রাব্বিন নাস। ২. মালিকিন নাস। ৩. ইলাহিন নাস। ৪. মিন শররিল ওয়াস ওয়াসিল খান্নাস। ৫. আল্লাযী ইউওয়াস-বিসু ফী ছুদুরিন্নাস। ৬.মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস। 

 
অর্থ : বলো, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি মানুষের রবের কাছে। মানুষের অধিপতির কাছে। মানুষের উপাস্যের কাছে। মন্দ প্রবৃত্তির কুমন্ত্রণা থেকে, যে পিছনে লুকায়। যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে। জিন ও মানুষের মধ্য থেকে। (সুরা নাস, আয়াত : ১-৬)
 

সুরা নাসের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

এ সুরা মানুষকে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মহান আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহকে তিনটি গুণে সম্বোধন করা হয়েছে এ সুরায়:

 
১. রব্বিন নাস (মানুষের রব) : মহান আল্লাহ মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা।
 
২. মালিকিন নাস (মানুষের অধিপতি) : তিনি মানুষের উপর সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।
 
৩. ইলাহিন নাস (মানুষের উপাস্য) : তিনিই একমাত্র উপাসনার যোগ্য।
 
শয়তান মানুষকে ‘ওয়াসওয়াস’ (কুমন্ত্রণা) দেয় এবং ‘খান্নাস’ (পিছনে লুকিয়ে থাকে)। এই কুমন্ত্রণা জিন ও মানুষ উভয়ের থেকে আসতে পারে, যা মানুষের অন্তরে মন্দ চিন্তা ও পাপের প্রতি প্ররোচিত করে।
 

সুরা নাসের ফজিলত

 

হাদিস শরিফে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর সুরা নাস পড়ার গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। এক বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সুরা ইখলাস ও এই দুই সুরা পড়বে সে সব বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৯০৩)
 
সুরা নাসের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত আছে, নবীজি (সা.)–কে যখন জাদু করা হয়, তখন সুরা ফালাক ও সুরা নাস নাজিল হয় এবং তিনি এই দুই সুরা পড়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন এবং আরোগ্য লাভ করেন। (সুনান নাসাঈ, হাদিস: ৫৪৩৭)
 
এই সুরা পড়া শয়তানের কুমন্ত্রণা, জাদু, হিংসা এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। তাফসিরে ইবনে কাসিরে বলা হয়েছে, সুরা নাস মানুষকে শয়তানের মানসিক ও আধ্যাত্মিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। (তাফসির ইবনে কাসির : ৮/৫৩৬)।

কিউএনবি/খোরশেদ/০১ ডিসেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit