মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সৌদিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদারে ইন্দোনেশিয়াকে ৫ প্রস্তাব বাংলাদেশের বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন যে তথ্য না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে আবেদন ফি ছাড়াই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, সুযোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কেন ঢাকা থেকে বারবার দিল্লিতে যান ত্রিবেদী, করেন মোদির সঙ্গে বৈঠক আড়াই বছর পর উৎপাদনে যমুনা সার কারখানা, চাপ নিয়ে শঙ্কা কাটেনি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের পথে বাংলাদেশ নড়িয়ায় হাজী ওমর আলী মৃধা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত গাজীপুরে স্থানীয় নির্বাচনের সময় নিয়ে সিইসির কাছে তাবলিগের আবেদন

বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মেরামতে ধীরগতি অনিয়মের অভিযোগ

আসাদুজ্জামান আসাদ দিনাজপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ Time View

আসাদুজ্জামান আসাদ দিনাজপুর প্রতিনিধি : বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি, মেরামতে চলছে ধীরগতি। গত ১মাস ধরে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় লোডশেডিং বেড়েছে।

কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন আগে বয়লার ও টারবাইন সিস্টেমে জটিল যান্ত্রিক সমস্যা ধরা পড়ে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ দেশের বাইরে থেকে আমদানি করতে হবে বলে মেরামতের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে। অন্যদিকে, স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, মেরামতের কাজে গাফিলতি ও ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা দ্রুত মেরামত সম্পন্ন করে উৎপাদন স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। প্রতি বছর মেরামত খরচ দেখিয়ে বিপুল পরিমান টাকা খরচ করা হয়।

প্রথম ও তৃতীয় ইউনিট দুটি বছরে প্রায় সময় যান্ত্রিক ত্রুটির বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে। উত্তর অঞ্চলের ৮টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হত এখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রীডে বড়পুকুরিয়া থেকে কোন বিদ্যুৎ জমা হচ্ছে হচ্ছে। এমন অবস্থার মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত শিল্প কারখানাগুলিতে দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। গত ০১ মাসের মধ্যে বড়পুকুরিয়ার প্রথম ও তৃতীয় ইউনিট দুটি মেরামত করতে এখন সময়ের ব্যাপার। প্রকৌশলি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইউনিটটি অধিক ব্যয়ের কারণে মেরামত করা সম্ভব নয়।

চালু ছিল প্রথম ইউনিট যা থেকে জাতীয় গ্রীডে ১২৫ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা থাকলেও উৎপাদন হয় মাত্র ৫০ ইউনিট। কারণ অতিমাত্রায় উৎপাদন ক্ষমতা নেই। এবং তৃতীয় ইউনিট থেকে ২৭৫ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা থাকলেও সেখান থেকে উৎপান হত মাত্র ৬০-৭০ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ। প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট চীনা কোম্পানির সিএমসি ও এসএমমি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। আর তৃতীয় ইউনিটটি নির্মাণ করেন চীনের হারবিন কোম্পানি। প্রায় বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করা হয়। কারিগরি ত্রুটির কারণে বছরের পর বছর এগুলি নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। মেরাতম ব্যয় বাড়ছে। চীনা কোম্পানির উপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

এখন চীনা কোম্পানির উপর নির্ভর করে বন্ধ ইউনিট গুলি চালু করার প্রচেষ্টা চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান, বর্তমানে তৃতীয় ইউনিটটি মেরামত করতে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে। এভাবে বছরের পর বছর বিলিয় বিলিয়ন ডলার খরচ করে সরকার। তাতে কী আয় হচ্ছে, না কি ব্যয়ের খাত দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে? জ্বালানি মন্ত্রনালয় এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন কি? নাকি তারাও নিরব? বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক এই অঞ্চলের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।

এখানে তিনটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ বন্ধ এবং অন্য দুটি সীমিত ক্ষমতায় উৎপাদন করলেও বর্তমানে সেটিরও উৎপাদন বন্ধ। কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী জানান, “ত্রুটির কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বিদেশি প্রযুক্তিবিদদের সহায়তায় মেরামতের কাজ চলছে, তবে কিছু সময় লাগবে।

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/১০ নভেম্বর ২০২৫,/দুপুর ১:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit