মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইল প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ড্র করলেও কি বাঁচবে নকআউট স্বপ্ন? উজবেকিস্তান ম্যাচে পর্তুগালের সমীকরণ সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি গঠন সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এয়ারএশিয়া সিইও’র সৌজন্য সাক্ষাৎ উজবেকিস্তান ম্যাচে কি একাদশে থাকবেন রোনালদো? ধোঁয়াশা রাখলেন কোচ কেন পাকিস্তান যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট? ঢাবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে সেনাবাহিনীর গভীর নলকূপ স্থাপন। নওগাঁ সদর এমপির উদ্যোগে রাস্তার উন্নয়ন,উপকৃত ৬০ পরিবার

মেয়র মামদানির মা, কে এই নির্মাতা মীরা?

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ Time View

বিনোদন ডেস্ক : ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন তরুণ জোহরান কে মামদানি (৩৪)। তিনি এখন ইতিহাসের অংশ। নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হয়েছেন তিনি। তার এই ইতিহাস গড়ার সঙ্গে নতুন করে উঠে এসেছে বিখ্যাত নির্মাতা মীরা নায়ারের নামটিও। কারণ, ইতিহাসের এই গল্পটা যোগ্য মায়ের যোগ্য সন্তানের হাতে রচিত। 

আজকের বিশ্ব সিনেমায় যে বাস্তববাদী চিত্রভাষার উত্থান, তার আদর্শিক পথিকৃৎদের একজন মীরা নায়ার। মীরা নাইরের প্রথম শিল্পভুবন ছিল ডকুমেন্টারি। থিয়েটার আর ভিজ্যুয়াল জার্নালিজমের মধ্য দিয়ে তার চোখে ধরা পড়ে ভাঙা সমাজ, অবহেলিত মানুষ আর অদেখা বাস্তবতা। রাজনৈতিক, সামাজিক, অভিবাসী সংকট থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত দুঃসহ যাত্রা—তার ক্যামেরা যেখানে পড়ে, সেখানেই যেন বুনে যায় সত্যের টান টান ভাষা।

১৯৮৮ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি ‘সালাম বোম্বে!’ যেন নীরব বিশ্বকে ঝাঁকুনি দিয়েছিলো। মুম্বাইয়ের পথশিশুদের জীবন অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা জিতে নেয় কান চলচ্চিত্র উৎসবের ক্যামেরা দ’র। অস্কারেও মনোনয়ন পায় সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে। এরপর ‘মিসিসিপি মাসালা (১৯৯১) দিয়ে মীরা তুলে ধরেন বর্ণবাদ ও অভিবাসীদের গল্প, ‘মনসুন ওয়েডিং’ (২০০১), ‘দ্য নেমসেক’ (২০০৬)-এ পরিচয়, পরিবার ও অভিবাসনের দার্শনিক বিবৃতি গোট বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে।

তার প্রতিটি কাজই চলচ্চিত্র–নন্দনের পরিসরে একেকটি অনন্য দাগ হয়ে আছে। মীরার সিনেমা হলো মানুষের গল্প। দেশান্তর, পরিবার, বর্ণ, শ্রেণি, স্মৃতি, হারিয়ে ফেলা শেকড়—সবকিছুর অনুপম বুনন। তার ছবিতে চরিত্র শুধু চরিত্র নয়—তারা মূলত এক একটি ইতিহাস, ব্যথা, স্বপ্ন ও অস্থিরতা। নির্মাণের সুবাদে তিনি অর্জন করেছেন বিশ্বজুড়ে নানান পুরস্কার ও সম্মাননা। এরমধ্যে রয়েছে কান ক্যামেরা দ’র (১৯৮৮), ভেনিস গোল্ডেন লায়ন (২০২২১), ভারত সরকারের পদ্ম ভূষণ (২০১২) প্রভৃতি।

মীরা নায়ার সেই নির্মাতা, যিনি জানান—সিনেমা শুধু বিনোদন নয়; এটি সামাজিক দলিল। সেই দলিলেরই আরেক অনুলিপি যেন তারই সন্তান জোহরান মামদানি। যিনি ৩৪ বছর বয়সেই ইতিহাসে লিখিয়েছেন নাম। বিশ্লেষকদের ভাষ্যে, মীরা ও মামদানি: সিনেমা এবং বাস্তব জীবনের দুই যোদ্ধা। যারা দু’জনে মিলে রিল ও রিয়েল লাইফকে বেঁধে দিয়েছেন সিনেমা ও রাজনীতির সুতোয়।

 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ নভেম্বর ২০২৫,/রাত ৯:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit