বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খালেদা জিয়া কখনো গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি : মির্জা ফখরুল চৌগাছায় এক কৃষক ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান পেতে থানায় জিডি “স্বামীর ন্যায্য অধিকার দাবিতে নেত্রকোনায় সংবাদ সম্মেলন” বাবরের না থাকা ভুগিয়েছে পাকিস্তানকে, মন্তব্য সাবেক তারকাদের ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ‘মাশুল’ গুনছেন হতদরিদ্ররা! ফুলবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে বঞ্চনার শিকার বিএনপি সমর্থকরা॥ বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী॥ চৌগাছায় মাদক সম্রাট ইসমাইলের ডেরাই সন্ধ্যা নামলেই বসে জুয়ার আসর, প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ, ভারতসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন, আছেন যারা সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

অনিল আম্বানির ৩৫ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত করল ইডি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির ছোটোভাই এবং শিল্পপতি অনিল আম্বানির ৩৫ কোটি ১০ লাখ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ হাজার ৮৪ কোটি রুপি) বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছে ভারতের অর্থনৈতিক গোয়েন্দা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আজ শুক্রবার ( ৩ নভেম্বর) রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইডির মূল কার্যালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পার্যন্ত তার মালিকানাধীন রিয়ায়েন্স গ্রুপ ভারতের ইয়েস ব্যাংক থেকে ৫৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার (৫ হাজার ৫০ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার রুপি) ঋণ নিয়েছিলেন। নিজের রিলায়েন্স গ্রুপের অধীন সংস্থা রিলায়েন্স হোম ফিন্যান্স লিমিটেড এবং রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফিন্যান্স লিমিটেডের নামে এই ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই ঋণের অর্থ আর ফেরত দেননি অনিল এবং এ অর্থের একটি বড় অংশই তিনি বিদেশে পাচার করেছেন।

মুকেশ আম্বানি এবং অনিল আম্বানির বাবা ধীরুভাই আম্বানি ছিলেন ভারতের অন্যতম শীর্ষ শিল্পপতি। তাদের মায়ের নাম কোকোলাবেন আম্বানি। জাতিগতভাবে তারা গুজরাটি, অর্থাৎ গুজরাট রাজ্যের বাসিন্দা। ধীরুভাইয়ের মালিকানাধীন রিলায়েন্সের অধীনে কয়েক ডজন শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০০২ সালে মৃত্যু হয় ধীরুভাই আম্বানির। সম্পত্তির উত্তরাধিকার কে হবে- তা নির্ধারণ না করেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন তিনি।
বাবার মৃত্যুর পর সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। ঝগড়া থামাতে তাদের মা কোকিলাবেন দু’ভাইয়ের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করে দেন। রিলায়েন্স দুই ভাগ হয়। মুকেশ আম্বানির ভাগে যে অংশ পড়ে, সেটির নাম রাখা হয় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং অনিল আম্বানির ভাগের অংশটির নাম হয় রিলায়েন্স এডিএ গ্রুপ।
মুকেশের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান ব্যাবসা জ্বালানি তেল আমদানি ও পরিশোধন, পেট্রোকেমিক্যালস তৈরি, টেলিকম, মিডিয়া ও বিনোদন। আর অনিলের রিলায়েন্স এডিএ গ্রুপের প্রধান ব্যবসা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আর্থিক পরিষেবা।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৪ নভেম্বর ২০২৫,/রাত ১২:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit