রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি লেবাননে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২, নিন্দা জানাল ডব্লিউএইচও চবির সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরামের ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের নবীন- প্রবীণ নেতাদের মিলনমেলা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা হয়নি ১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান? ‎ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী ‘শিগগিরই’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সাথে বৈঠক করবেন পুতিন! আমিরাতের তিন বন্দর এলাকায় হামলার সতর্কবার্তা ইরানের গ্লাভস হেলমেট ছুড়ে মারায় সালমানের শাস্তি ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

বেড়েছে ডিমের দাম, সবজির বাজারের কী হালচাল?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ক্রেতারা বলছেন, কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও বেশিরভাগই এখনও হাতের নাগালের বাইরে। সবজি কিনতে আসা গৃহিণী রুবিনা আক্তার বলেন, ‘এত দাম দিয়ে প্রতিদিনের বাজার করা সম্ভব না। একটু কম দাম হলে ভালো হতো।’

বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, করলা ৬০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০-৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০-৭০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মূলা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকা, বেগুন ৮০-১২০ টাকা, আলু ২০ টাকা ও শসা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
 
বৃষ্টির কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম কমছে না বলে দাবি বিক্রেতাদের। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহবুদ্দিন বলেন, ‘লাগাতার বৃষ্টির কারণে মাঠে অনেক সবজি নষ্ট হয়েছে। ফলে পাইকারিতে দাম বেড়েছে, আমরাও বেশি দামে কিনে আনছি। তাই খুচরা বাজারে খুব একটা দাম কমানো যাচ্ছে না।’
 
কিছুটা কমেছে কাঁচা মরিচের দাম। বর্তমানে কেজি প্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির প্রভাবে গত সপ্তাহে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছিল কাঁচা মরিচের দাম। তবে বৃষ্টি কমে আসায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে।
 
এদিকে, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে নেই ইলিশ মাছ। তবে চাষের রুই ও কাতলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে টেংরা, পাবদাসহ ছোট মাছের দাম। বিক্রেতা হাফিজ মিয়া বলেন, ‘ ছোট মাছ কম ধরা পড়ছে। তাই সরবরাহ কমায় ছোট মাছের দাম কিছুটা বেশি।’
 
বাজারে প্রতিকেজি বোয়াল ৮০০-১০০০ টাকা, কোরাল ৮৫০-৯০০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের রুই ৩০০-৪৫০ টাকা ও কাতল ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১৮০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ টাকা, চাষের ট্যাংরা ৭৫০-৮০০ টাকা, এবং পাবদা ও শিং ৪০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
 
স্থিতিশীল রয়েছে মুরগির বাজার। বিক্রি হচ্ছে আগের বাড়তি দামেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির জন্য গুনতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। তবে বেড়েছে ডিমের দাম। প্রতি ডজনে ৫ টাকা বেড়ে এখন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। আর প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকার মধ্যে।
 
বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, একসঙ্গে সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় মাসের খরচ মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কিছুটা কমতে পারে আগামী সপ্তাহে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ অক্টোবর ২০২৫,/সন্ধ্যা ৬:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit