স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত এই এলাকা এখন আলোচনায় এসেছে। তাদের বিশ্বাস, মনখালীকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিকশিত হতে পারে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প।
এ বিষয়ে সাংবাদিক ইমন বলেন, মনখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে আমার মনে হয়েছিল এটি কোনো অংশেই সুইজারল্যান্ডের চেয়ে কম নয়। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে আমাদের নতুনভাবে কাজ করা দরকার। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্র্যান্ডিং করা গেলে মনখালী দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হতে পারে।
স্থানীয় সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম জিসান জানান, মনখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবসময়ই পর্যটক আকর্ষণের মতো। কিন্তু এতদিন কোনো প্রচার-প্রচারণা হয়নি। পর্যটকদের অনেকেই পাটুয়াটেক সৈকত পর্যন্ত গিয়েই ফিরে আসেন, মনখালীর নামও শোনেননি। এখন কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড পরিচিতির কারণে এলাকা ঘিরে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দিন সিরাজী বলেন, মনখালী একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। এখানে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সাংবাদিক ইমনের ভিডিও পুরো এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এখন সরকারের নজর পেলে মনখালী কক্সবাজারের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্পটে রূপ নিতে পারবে।
গ্রামবাসীও এ নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তাদের আশা, সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হলে মনখালী আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে।
প্রসঙ্গত, ইমরুল কাওসার ইমন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া তিনি রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা (আরডিজেএ) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।