শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে বাংলাদেশিসহ আটক ৯৬ বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম রংপুরে চার খুন: বাড়ি বিক্রি করে ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল সিদ্ধার্থের বাবা-কাকার নেপালে বন্যা বিধ্বস্ত সুড়ঙ্গ থেকে ৯ দিন পর দুই জনকে জীবিত উদ্ধার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন জেকো কলমাকান্দায় আগুনে পুড়লো ছয়টি কাপড়ের দোকান  গোলাপগঞ্জে ভূয়া প্রেসক্লাব কমিটি, বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান মূলধারার সাংবাদিকদের এশিয়ান গেমসে ভারতের কোচের দায়িত্বে ভিভিএস লক্ষ্মণ ঢাবির মুহসীন হল থেকে গুমের ৭ বছর পার হলেও ন্যায়বিচার পাননি কোটা আন্দোলনের নেতা জালাল সন্তান গোপনে আপত্তিকর ভিডিও দেখার আগেই যেভাবে সাজাবেন ফোনের সেটিংস

‘অদৃশ্য শিক্ষক’- নেই ক্লাসরুমে, আছেন বেতনের খাতায়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৩ Time View

নিউজ ডেক্সঃ  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের প্রভাষক ডা. মাহফুজুর রহমান। শিক্ষার্থীরা শুনেছেন—তাদের বিভাগে একজন প্রভাষক আছেন। কিন্তু সেই শিক্ষককে কেউ কখনো ক্লাসরুমে দেখেননি, লেকচারও শোনেননি। অথচ সরকারি রেকর্ডে তিনি নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন, আর প্রতি মাসেই তুলছেন বেতন-ভাতা।

জানা গেছে, পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট বিভাগের প্রভাষক ডা. মাহফুজুর রহমান। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কলেজে অনুপস্থিত থেকেও সরকারি ভাতা ভোগ করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন সকালে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে যান। হাজিরা দেওয়ার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারে আঙুল রাখেন। তারপর আর ক্লাসে না গিয়ে সরাসরি চলে যান রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিস মোড়ের পাশে তার ব্যক্তিগত চেম্বার ‘ডেন্টাল এইড’-এ।

সন্ধ্যা নামার আগে আবার কলেজে ফিরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে ‘অফিস ত্যাগ’ দেখান। ফলে সরকারি উপস্থিতি খাতায় প্রতিদিনই তার নাম পাওয়া যায়- কিন্তু বাস্তবে ক্লাসরুমে তিনি নেই। ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান বলেন, ডা. মাহফুজুর রহমান নামে একজন স্যার আমাদের এখানে আছেন শুনেছি। কিন্তু কোনোদিন চোখে দেখিনি। তিনি আমাদের একটিও ক্লাস নেননি, পরীক্ষা নেননি। আমরা তাকে চিনিই না।

রামেক ডেন্টাল ইউনিট প্রধান ডা. আবুল হোসেন জানান, তিনি অসুস্থ মানুষ। লিভারে সিরোসিস, হার্টে বাইপাস হয়েছে। তিনি নিয়মিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেন। তবে পরে কোথায় যান, সেটা বিভাগ বলতে পারবে। অধ্যক্ষ ডা. খন্দকার মো. ফয়সল আলম বলেন, তিনি এভাবে ক্লাস না নিয়ে বেতন নিচ্ছেন—এটা আমি আপনার কাছ থেকেই জানলাম! যদি আগে জানতাম, মেডিকেল বোর্ড করে তাকে অবসরে পাঠাতাম। তবে তার চাকরির বয়স এখন শেষ হয়ে এসেছে, তাই আমরা আর বিষয়টি টেনে নিতে চাইনি।

তিনি আরও বলেন, দশ বছর ধরে তিনি কাজ করছেন না—এটা তো অজানা ছিল। ডেন্টাল ইউনিট থেকেও আমাদের জানানো হয়নি। অকাজের লোক রেখে তো আমাদের কোনো লাভ নেই। ডা. মাহফুজুর রহমান দাবি করেন— তিনি অসুস্থ। তাই প্রতিদিন হাজিরা দিয়ে তিনি বাড়ি যান। তবে তিনি চেম্বারে রোগী দেখেন না বলেও দাবি তার। এমন ছুটি নেওয়া যায় কিনা, এ বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে নিয়মে তো যায় না। তবে অসুস্থ বলে চলে যাই।

অনলাইন নিউজ ডেক্সঃ
কুইক এন ভি/রাজ/১৮ আগস্ট ২০২৫/বিকালঃ ০৫.৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit