ডেস্ক নিউজ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।বিএনপির দুর্দিনে দলের নেতৃত্ব দিয়ে খালেদা জিয়া যে ভূমিকা রেখেছেন,সেই প্রসঙ্গ টেনে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা যারা কয়েকজন তার সঙ্গে কাজ করেছি, তারা দেখেছি- নানা চাপের মধ্যে দেশনেত্রীকে আমরা দেখেছি দৃঢ় মনোবল।গণতন্ত্রের প্রশ্নে তার আপসহীন নেতৃত্ব এবং নেতাকর্মীদের প্রতি তার যে ভালোবাসা ও স্নেহ-তা তুলনাহীন।
তিনি বলেন, আজকে আমি এই অনুষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়ার জেলজীবনে তার ওপরে যে অত্যাচার হয়েছে, যে নির্যাতন হয়েছে, কারা কারা এর সঙ্গে দায়ী-তাদের সবার বিচার দাবি করছি। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত।
২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। পুরনো কারাগারে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বিনা চিকিৎসায় বন্দি রাখায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে পরিবার কয়েক দফা আবেদন করলেও তা নাকচ করে দেয় তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকার।
দেশে কোভিডের সংক্রমণ হলে ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। এসময় গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় বন্দি রাখা হয় তাকে। পটপরিবর্তনের পর ৬ অগাস্ট সাজা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হন তিনি।
আজ খালেদা জিয়ার ৮০ তম জন্মদিন। তার জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও এতিমখানা-মাদ্রাসায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হচ্ছে। এছাড়া সারাদেশে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলের চেয়ারপারসনের আরোগ্য কামনায় একই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভীর সঞ্চালনায় নয়া পল্টনের মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,নজরুল ইসলাম খানও বক্তব্য রাখেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, মীর সরাফত আলী সপু, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সাইফুল আলম নিরব, আসাদুল করীম শাহিন, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মহানরগর দক্ষিণ বিএনপির রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের নুরুল ইসলাম নয়নসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে ছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/১৫ আগস্ট ২০২৫/সন্ধ্যা ৬:৩৮