মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের খনিজ শিল্পাঞ্চল মধ্যপাড়ায় বসত বাড়িতে প্রবেশ রাস্তা সংকীর্ণ করার অভিযোগ উঠেছে, এতে করে কয়েকটি পরিবার চরম জন দূর্ভোগের শিকার হয়েছেন।
জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ভাদুরি বাজার সংলগ্ন নতুন মহল্যার বাসায় ভ্যান রিকশায় মালামাল পরিবহন জটিলতা দেখা দিলে সংকট নিরসনে ঐ মহল্লার ১২ জন জমি দাতা যথাক্রমে আব্দুল খালেক , আনছার আলী, সাইফুল ইসলাম,ডাঃ আক্তারুজ্জামান, মজমুল হক, নুরু মিয়া, মাস্টার জয়নাল আবেদীন, মজিবর রহমান, শাহিনুর ইসলাম, আব্দুল বারী, কামরুজ্জামান ও সাইদার রহমান জনস্বার্থ বিবেচনায় ০৬ শতাংশ জমি জেলা প্রশাসক দিনাজপুর বরাবর রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করেন।
সেই সঙ্গে দলিলে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেন যে, ৯৭৫ দাগে ডাঙ্গা ১.৭৩ শতকের মধ্যে উত্তর দক্ষিণে লম্বা বেশীরভাগ ও পূর্ব পশ্চিমে লম্বা জমি মোট ০৬ শতাংশ রাস্তার জন্য ইহার প্রস্থ ০৬ফুট দৈর্ঘ্য ৮০০ বর্গফিঃ সর্ব সাধারনের চলাচলের সুবিধার্থে দলিল সম্পাদন করা হইলো। পার্বতীপুর এসিল্যান্ড সহ উপজেলা প্রশাসনের দ্বায়িত্ব শীল কর্মকর্তা এবং স্হানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার, গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
সময়ের আবর্তে রাস্তাটি সংকোচিত হয়ে গেছে, এতে করে মহল্যার বাসিন্দা গন ভ্যান রিকশায় করে মালামাল পরিবহন করতে পারছেনা মর্মে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছেন মরহুম মতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ মানিক মিয়া। অভিযোগে দাবি করা হয় প্রতিবেশী মজিবর রহমানের ছেলে মোঃ শাহিনুর ইসলাম রাস্তায় বেড়া নির্মান করে রাখায় চলাচল রাস্তাটি সংকোচিত হয়েছে এবং জটিলতা দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে রাস্তার সংকোচিত স্হানের ডান পার্শ্বে শাহিনুর ইসলাম বাঁশের বেড়া এবং বামপার্শ্বে হারুন পুলিশ নামক ব্যক্তি ইটের ছোট্ট প্রাচীর দেয়াল দিয়েছেন এতে করে ভ্যান রিকশা চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহিনুর ইসলাম বলেন রাস্তার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর জমি দান কারি হিসাবে আমি নিজেও একজন, অভিযোগ কারী মানিক মিয়া শুধু নিজেরটাই ভালো বুঝতে চায় মানসিক উন্নতি হলেই সব কিছু ঠিক হবে অন্যথায় নয়। জনসাধারনের চলাচলের সুবিধার্থে আমি বাঁশের বেড়া অবশ্যই সরাবো, তবে হারুন পুলিশের অংশের ইটের দেওয়াল না ভাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারিত হবে না, হারুন পুলিশ তো আইনের লোক সে নিজেই আইন না মেনে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করে রেখেছে।
তবে হারুন পুলিশ বাসায় না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কথা হয় জমি দাতা সদস্য সাইদার রহমান জয়নাল মাষ্টার, ডাঃ রাজু আহমেদ সহ কয়েকজনের সঙ্গে তারা জানান দলিল মুলে রাস্তা তৈরির সময় রাস্তা টি সংকোচিত এবং আঁকাবাকা ছিল না সোজা রাস্তা ছিল। সমাজ সচেতন মহল মনে করেন পারস্পরিক স্বার্থ বিবেচনায় উভয়েরই রাস্তার জন্য উদারতা প্রদর্শন করা উচিৎ।
কিউএনবি/আয়শা/২১ জুলাই ২০২৫,/রাত ৯:৫৫