শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আবারও পেছানো হলো আয়াতুল্লাহ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত এটি গণমানুষের বাজেট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে মামলা বিশ্বকাপে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন যারা রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল

পালংশাকের পুষ্টিগুণ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৯ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : সবুজ সতেজ পালংশাক যেমন নজর কাড়ে, তেমন পুষ্টিতেও সমৃদ্ধকে করে মানব শরীরকে। নানারকম খাবারে পালংশাকের ব্যবহারও বহুমুখী। আবার এই শাক দিয়ে এককভাবেই বানানো যায় নানা পদ। পালংশাকে আছে নানা পুষ্টিগুণ।

পুষ্টিবিদরা বলেছেন, পালংশাক বিভিন্ন রকম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এতে থাকে লুটেইন, বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন সি। এগুলো সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য ভালো রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেল থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। ফ্রি রেডিকেলের ফলে দেহের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অক্সিডেটিভ চাপের সৃষ্টি হয়। ফলে দীর্ঘমেয়াদি অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত কোষের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করে।

পটাসিয়াম থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে পালংশাক। পটাসিয়াম দেহে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। উচ্চমাত্রার সোডিয়াম রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। পালংশাক ফোলেইট ও ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস। এই দুই পুষ্টি উপাদান দেহে নাইট্রিক অক্সাইডয়ের উৎপাদন বাড়ায় যা রক্তচাপ কমানোর অণু তৈরিতে সহায়তা করে।  

মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য পালংশাক সেরা খাবার। পালংশাকের মতো সবুজ শাক প্রতিদিন খাওয়ার ফলে বয়সের কারণে হওয়া জ্ঞানীয় দক্ষতার হ্রাস অনেকটাই কমে যায়। এতে উচ্চমাত্রায় লুটেইন, বিটা ক্যারোটিন, ফোলেইট ও ফিলোকুইনয়ন (ভিটামিন কে’ একটি ধরন) থাকার ফলে মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

রক্তের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে লৌহ যোগায়। পালংশাক লৌহের ভালো উৎস। লৌহ এমন একটি খনিজ যা রক্তের লোহিত কণিকার মূল উপাদান হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এই কোষগুলো সারা দেহ ও কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে। তাই এগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দুই ধরনের লৌহ রয়েছে, একটি হল ‘হিম’ যা প্রাণিজ খাবারে পাওয়া যায় এবং অন্যটি হল ‘নন-হিম’ যা উদ্ভিজ্জ খাবার যেমন পালংশাকে পাওয়া যায়। শরীর হিম এবং নন-হিম কোনো ধরনের লৌহ সরাসরি শোষণ করতে পারে না। তবে ভিটামিন সি যোগ করার মাধ্যমে এই শোষণ বাড়ানো যায়।

পালংশাকে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লুটেইন ও জিয়াক্সান্থিন যা ভিটামিন এ’য়ের সাথে সম্পর্কিত। দুই পুষ্টি উপাদানই চোখকে সূর্যের হাত থেকে রক্ষা করে এবং অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। ফলে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে চোখের রোগ যেমন- ‘ম্যাককুলার ডিজেনারেইশন’ এবং ছানিসহ নানান সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।

কিউএনবি/অনিমা/১৭ জুলাই ২০২৫,/রাত ৮:১০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit