সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে ট্রাম্পের সম্ভাবনা কতটা?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৩ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি আনার চেষ্টার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহুর দাবি, বিশ্বজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় “ট্রাম্পের অটল ও ব্যতিক্রমী ভূমিকা” রয়েছে।

পাকিস্তানও জুনে জানায়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত নিরসনে ভূমিকার জন্য ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করা হবে।বুধবার (৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে নেতানিয়াহুর পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। সাবেক সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্ডট বলেছেন, এটি ট্রাম্পকে তুষ্ট করার প্রচেষ্টা।

যদি ট্রাম্প এই পুরস্কার পান, তবে তিনি হবেন মার্কিন ইতিহাসে পঞ্চম প্রেসিডেন্ট যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবেন। এর আগে থিওডোর রুজভেল্ট, উড্রো উইলসন, জিমি কার্টার এবং বারাক ওবামা এই পুরস্কার পেয়েছেন।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর আবারও কৃতিত্ব দাবি ট্রাম্পের

কীভাবে দেওয়া হয় নোবেল শান্তি পুরস্কার?

ডিনামাইটের আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছা অনুযায়ী, যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি হ্রাস এবং জাতির মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে যিনি সর্বাধিক অবদান রাখবেন, তিনিই এই পুরস্কার পাবেন। জীবিত ব্যক্তি বা সক্রিয় প্রতিষ্ঠান মনোনয়নের যোগ্য।

প্রতিবছর অক্টোবরে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়, তবে মনোনয়ন জানুয়ারিতেই শেষ হয়। ফলে নেতানিয়াহুর ট্রাম্প মনোনয়ন এ বছর কার্যকর হবে না।

সরকার, সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রপ্রধান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও পূর্বের বিজয়ীরা মনোনয়ন দিতে পারেন। মনোনয়নের তালিকা ৫০ বছর গোপন থাকে, তবে মনোনয়নদাতারা চাইলে তা প্রকাশ করতে পারেন।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্বে থাকে। পাঁচ সদস্যের এই কমিটি নরওয়ের পার্লামেন্ট দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়। ফেব্রুয়ারিতে প্রাথমিক তালিকা তৈরি হয় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাধারণত ঘোষণার কয়েকদিন আগে নেওয়া হয়।

বিতর্ক

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিতর্ক থেকে মুক্ত নয়। অনেক সময় এটি রাজনৈতিক বার্তা বহন করেছে। ওবামা ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যেই পুরস্কার পান, যা নিয়েও বিতর্ক হয়। ১৯৭৩ সালে হেনরি কিসিঞ্জার ও লে ডাক থো-কে পুরস্কার দেয়ায় দুজন কমিটি সদস্য পদত্যাগ করেন। ১৯৯৪ সালে ইয়াসির আরাফাত, শিমন পেরেস ও ইয়িৎসহাক রবিনের যৌথ পুরস্কার প্রাপ্তিতেও কমিটি থেকে একজন পদত্যাগ করেন।

পুরস্কারের স্বীকৃতি

পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি একটি মেডেল, একটি সনদ, প্রায় ১.১৫ মিলিয়ন ডলার (সুইডিশ ক্রোনার) এবং বৈশ্বিক মনোযোগ পান।

এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ১০ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে এবং ১০ ডিসেম্বর, আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে, ওসলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা//১০ জুলাই ২০২৫,/বিকাল ৩:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit