মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান আটোয়ারীতে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী দুর্গাপুরে খালের ওপর ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন দুর্গম পাহাড়ে গৃহহীন অধিবাসীদের মুখে হাসি ফুটালো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান। ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় নওগাঁ রেসিডেনসিয়াল স্কুলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তায় অন্য দেশগুলো ‘আগ্রহী’ নয়: ট্রাম্প কোনো ব্যাংকই আর দলের হয়ে কাজ করতে পারবে না: গভর্নর

ইসলামি সমাজব্যবস্থায় সংযম ও নারীর মর্যাদা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ৩৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : সুরা আন-নুরের ৩৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সংযম ও নারীর সম্মান সংরক্ষণের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই আয়াত সমাজ সংস্কারের একটি পরিপূর্ণ ঘোষণা, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজকে পরিশুদ্ধ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সহায়ক।

দাস-দাসীর প্রচলন থাকাকালে অনেক সময় দাস-দাসীগণ অর্থের বিনিময়ে মুক্তি লাভের জন্য মনিবদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হত। উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ধার্য করা হত। তারা যথাসময়ে মনিবকে সে অর্থ পরিশোধ করলে দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যেত। মুক্তি লাভের জন্য সম্পাদিত এ চুক্তিকেই ‘মুকাতাবা’ বা ‘কিতাবা’ বলা হয়। এ আয়াতে মনিবদেরকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, দাস-দাসীগণ এরূপ চুক্তি করতে চাইলে তারা যেন তাতে সম্মত হয়। আর অন্যান্য মুসলিমকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে তারা যেন এরূপ দাস-দাসীর মুক্তির লক্ষ্যে তাদেরকে অর্থসাহায্য করে।

আয়াতে বলা হয়েছে, যদি তাদের মধ্যে ভালো কিছু দেখ। অর্থাৎ যদি মনে হয় এরূপ চুক্তি দাস-দাসীর পক্ষে বাস্তবিকই কল্যাণকর হবে। অর্থাৎ, মুক্তি লাভের পর তারা চুরি, ব্যভিচার, অন্যায়-অপকর্ম করে বেড়াবে না। এরূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদেরকে মুক্তি লাভের সুযোগ দেওয়া উচিত, যাতে তারা মুক্তি লাভের পর আত্মসংশোধনের পথে উন্নতি লাভ করতে পারে এবং কোথাও বিবাহ করতে চাইলে স্বাধীনভাবে তা করতে সমর্থ হয়; দাসত্বের কারণে ক্ষেত্র সংকুচিত না থাকে। জাহেলি যুগে রেওয়াজ ছিল, দাস-দাসীর মালিকগণ তাদের দাসীদেরকে দিয়ে দেহ বিক্রি করাত এবং এভাবে তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করে অর্থোপার্জন করত। এ আয়াত তাদের সেই ঘৃণ্য প্রথাকে একটি গুরুতর গুনাহ সাব্যস্ত করত সমাজ থেকে তার মূলোৎপাটন করেছে।

অর্থাৎ, যেই দাসীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ব্যভিচারে বাধ্য করা হয়েছে, সে যদি ব্যভিচার থেকে বাঁচার যথাসাধ্য চেষ্টা করে থাকে, তবে সে যেহেতু অপারগ হয়ে তা করেছে তাই তার কোন গুনাহ হবে না এবং ব্যভিচারের শরয়ী শাস্তিও তার উপর আরোপিত হবে না। হাঁ যে ব্যক্তি তার সাথে ব্যভিচার করেছে তাকে অবশ্যই শরয়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং যেই মনিব তাকে দেহ বিক্রি করতে বাধ্য করেছে, বিচারক তাকেও উপযুক্ত শাস্তি (তাজির) দেবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৭ জুন ২০২৫, /বিকাল ৫:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit