রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আলভারেজ অথবা কেউ নয়, অনড় বার্সেলোনা ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে মাদক কারবারিদের হামলা: আহত ১ ফুটবলে আগ্রহ হারাচ্ছে ব্রাজিলিয়ানরা বার্সেলোনা ছাড়ছেন বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা তোরেস, ঠিকানা কোথায়? বাংলাদেশে সমকামিতা প্রচার ও প্রসারের পেছনে বামপন্থী দলের অনুসারীদের কে দায়ী করছে আজাদী আন্দোলন! পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি ও পেঁপে বাগান ধ্বংসের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে পিসিসিপির মানববন্ধন নওগাঁর পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ২ বামনকুমার আলহাজ্ব খোষ মোহাম্মদ সরকার হাফেজিয়া মাদরাসায় যুক্ত হলো বয়স্ক নারী-পুরুষদের কুরআন শিক্ষা বিভাগ গ্যাসের দাম বাড়লেই পেট্রোবাংলা অবরোধ, হুঁশিয়ারি এনসিপির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যােগে মানবিক সহায়তা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান।

নিজ হাতে কেক বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করে আয় মাসে ৩৫ হাজার টাকা

মোঃ আশিকুর ইসলাম বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর, প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ৭৩ Time View

মোঃ আশিকুর ইসলাম বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর, প্রতিনিধি : কেক খেতে কে না পছন্দ করে, ছোট থেকে বড় সবার কাছে কেক মানে আলাদা একটা ভালোলাগা। শুধু তাই নয়,বর্তমানে যে কোন উপলক্ষে বা খুশির দিনে কেক কাটা হয়ে থাকে। আর এই কেক তৈরি করে নারী  উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হয়েছেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মেয়ে সিনথিয়া ঝলক। এখন নিজের হাতের বানানো এই কেক বিক্রয় করে প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।সফল নারী উদ্যোক্তা সিনথিয়া ঝলক বলেন, আমি স্ব-নির্ভরশীল হওয়ার জন্য ২০১৫ সালে “চিলড্রেন কেয়ার কোচিং সেন্টার” নামে একটা কোচিং সেন্টার চালু করি। সেখানে আমার তত্ত্বাবধানে ২ জন শিক্ষক ছিল। অনেক ভালো নাম ডাক হয়েছিল কোচিং সেন্টারের। কিন্তু করোনার শুরুর পর থেকে কোচিং সেন্টারটি বন্ধ রাখার কারণে ধস নামা শুরু করে। ছাত্র-ছাত্রী অনেক কমে যায়। তখন কোচিং সেন্টারটি আমি বন্ধ করে দেই। তারপর একদিন দিনাজপুরে এক আপুর সাথে দেখা হয় আর সেখানে উনার একটা কেক খেয়েছিলাম যেটার টেষ্ট আমার অনেক ভালো লাগে ।তখন থেকে আমার আগ্রহ হল কেক তৈরি করার ও শেখার।

তিনি আরও বলেন, আমি যখন কেক তৈরির প্রশিক্ষন নিয়ে থাকি তখন আমার কোর্স ফি দেওয়ার মতো টাকা ছিল না।আমি তখন কিছু লোন নিয়ে কেক এর ক্লাসে ভর্তি হই। কিন্তু আজ আমি ভাবি তখন যদি আমি খরচের ভয় করে পিছিয়ে যেতাম আজকে এই স্থানটা পেতাম না।সিনথিয়া ঝলক আরও বলেন,কেক বানানো শেখার পর আমি “sana homemade cake and food gallery” নামে একটি পেজ তৈরি করি। অনলাইনে পোস্ট করি। সেখান থেকে আস্তে আস্তে অর্ডার পেতে শুরু করি। প্রথম প্রথম মাসে ৩,৪ টা অর্ডার আসতো। কেনোনা তখন বোচাগঞ্জের মানুষের কাছে এই কেক গুলো অনেক দামি হতো। কিন্তু যখন তারা কোয়ালিটি আর টেষ্ট বুঝতে শুরু করলো তখন আস্তে আস্তে আমার অর্ডার বাড়তে শুরু করে। এখন আমি দিনে ৭,৮ টা কেক অর্ডার পেয়ে থাকি। কখনও কখনও ২০ থেকে ৩০ পাউন্ড ও অর্ডার পেয়ে থাকি।

তিনি বলেন, হোমমেড কেকের প্রতি মানুষের ধারণা বদলেছে। তারা জানেন, ঘরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে
কোয়ালিটি মানের কেক তৈরি করা যায়। আর বোচাগঞ্জে দিন দিন এসব কেকের চাহিদাও বাড়ছে।’কোন ধরনের কেক বানাতে আপনি পারদর্শী, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন প্রকারের কেক তৈরি করে থাকি। তার মধ্যে ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক,চকলেট স্পঞ্জ কেক, রেড ভেলভেট স্পঞ্জ কেক, অরেঞ্জ ডিলাইট স্পঞ্জ কেক, স্ট্রবেরি স্পঞ্জ কেক, ব্ল্যাক ফরেস্ট স্পঞ্জ কেক, হোয়াইট ফরেস্ট স্পঞ্জ কেক, মার্বেল কেক,কাপকেক সহ বিভিন্ন ডিজাইনের কেক তৈরি করে থাকি। এছাড়াও আমি ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী হুবহু ডিজাইন সংবলিত কেক তৈরি করে দিয়ে থাকি।

কিউএনবি/অনিমা/১৩ মে ২০২৫, /রাত ৯:১৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit