দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় মামলার পর মামলা, কখনও জেল, কখনও জামিন, কখনও ফেরারী জীবন—সবই মোকাবিলা করেছেন মাথা উঁচু করেই। দুইবার তার বাড়িতে চালানো হয় ককটেল হামলা। পরিবার নিয়ে পড়েন নিরাপত্তাহীনতায়।
তবুও একচুলও সরেননি আদর্শ থেকে। বলছি নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলমের কথা। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকে আত্মরক্ষায় নীরব হয়েছেন, তখনই সামনে থেকে মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাহবুব আলম। বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের হাত ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। এরপর দায়িত্ব নেন আমদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাকে পড়তে হয় নির্যাতন ও হয়রানির মধ্যে। তার বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয় বিভিন্ন সময়ে। এর মধ্যে ৬টি মামলা আদালতে খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে ২টি মামলা বিচারাধীন এবং সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই মাসে আরও ৩টি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানা যায় । ২০০৮ সালের রাজনৈতিক সহিংসতার সময় এবং পরবর্তীতে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মাহবুব আলমের নিজ বাড়িতে ককটেল হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্থানীয় একটি পক্ষ এসব হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে এসব হামলা, হয়রানি, মামলা কিংবা প্রশাসনিক চাপে কখনো দমে যাননি মাহবুব আলম। আমদিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি আন্দোলন, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংয়ে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, মাহবুব আলম বিএনপির রাজনীতিতে আপোষহীন বিতর্কের উর্ধ্বে। মাহবুব আলম তৃণমূল বিএনপিকে যথাযথ মূল্যায়ন করেন। আওয়ামিলীগ সরকার পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের খবর আমরা শুনতে ও দেখতে পাই।
কিন্তু আমদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলম এখানেও ব্যতিক্রম এখনো পর্যন্ত কোনো অপকর্মের সাথে নিজেকে জড়াননি তিনি বরং আমদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেছেন বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অনিয়ম অপরাধের অভিযোগ পাওয়া যায় এবং সেই অভিযোগের যদি সত্যতা মিলে তবে দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ এপ্রিল ২০২৫,/রাত ১২:২০