বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলাকে তেল বিক্রির ২০০ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিল যুক্তরাষ্ট্র দাবী আদায়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে পথচারীরা ইতিহাস গড়ার পথে আফগানরা বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর ‘মাদক চক্রের নেতার’ সঙ্গে বৈঠকে সম্মানিত বোধ করছেন ট্রাম্প! নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি ২৬টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা সমালোচনা ও কটাক্ষে ভেঙে পড়েছেন, ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় জানালেন শচীন ‘যারা অনেক বড় মাপের মানুষ তাদের নিয়ে ট্রল হয়’

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই ইউরোপীয় সেনাপ্রধানদের বিরল বৈঠক

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ৫৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে উদ্যোগী হয়েছেন ইউরোপের নেতারা। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত কৌশলগত পরিবর্তন এবং রাশিয়ার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো নতুন সামরিক পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩০টির বেশি দেশের সেনাপ্রধানদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। তবে এই বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না, যা একটি নজিরবিহীন ঘটনা।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কী আলোচনা হলো?
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছাড়াও জাপান, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর সেনাপ্রধান এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের পরবর্তী ধাপে ইউরোপীয় শক্তির ভূমিকা এবং সামরিক বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা একমত হয়েছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করব। তবে রাশিয়ার প্রভাব ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ।”

বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল

  • ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা
  • ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি
  • রাশিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় কৌশলগত পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রকে ইচ্ছাকৃতভাবে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সামরিক কর্মকর্তা জানান, “যুক্তরাষ্ট্রকে ইচ্ছাকৃতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।” এর মাধ্যমে ইউরোপীয় অংশীদারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতিতেও ইউরোপ নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

কর্মকর্তারা আরও জানান, “জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের ঐতিহ্যবাহী মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন।”

সূত্র: রয়টার্স

কিউএনবি/অনিমা/১৩ মার্চ ২০২৫,/বিকাল ৪:৫৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit