রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ১৫ লাখ টন চাল বিতরণ বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগস্টে জাতীয় গ্রিডে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : মন্ত্রী নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার মিরপুরে সাইনবোর্ড লাগলোর সময় ৩ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দগ্ধ কুয়েতে ২ হাজারের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল দেশে ফিরলেন ৫৫ হাজার ১৩৩ হাজি, মারা গেছেন ৫১

অনবরত হাঁচি থেকে মুক্তি পেতে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯১ Time View

স্বাস্থ্য ডেস্ক : হে ফিভার বা অ্যালার্জি হলে সেই রোগীর অধিক পরিমাণ হাঁচি হতে থাকে। নাক দিয়ে সব সময় পানির মতো পড়তে থাকে এবং নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এই রোগের উৎপত্তি সাধারণত ধুলাবালি থেকে। এছাড়া ফুলের রেণু, তুলার আঁশ বা রোগী সেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। এই অ্যালার্জির কারণে হে ফিভার বা অনবরত হাঁচি হতে থাকে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগীদের এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায়। 

অর্থাৎ আমাদের দেশে বিশেষ ঋতুতে বিশেষ কোনো ফুল যেমন হতে পারে ঘাস ফুল বা সজিনা ফুল ফুটলে এই ফুলের রেণুগুলো বাতাসের সঙ্গে মিশে নিঃশ্বাসের সঙ্গে মানুষের শরীরে প্রবেশ করেও অ্যালার্জি সৃষ্টি হয়। সাধারণত এটা ঘাস ফুলের রেণু থেকেই বেশি অ্যালার্জি হয়ে থাকে। অনেক খাবার থেকে বা ধুলাবালি থেকে যদি অ্যালার্জি সৃষ্টি হয় তাহলে প্রায় সারা বছরই এ রোগের উপসর্গগুলো দেখা যায়। 

এই রোগের নাম হে ফিভার হলেও অ্যালার্জির কারণে হাঁচিতে জ্বর হয় না। সর্ব প্রথম ঠিক করতে হবে কোন জিনিস থেকে এই রোগের সূত্রপাত হয় সেটা আগে নির্ণয়ের চেষ্টা করতে হবে। সাধারণত সেসব জিনিস থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।  

রোগের লক্ষণ : হে ফিভার রোগ হলে রোগীর মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-  রোগীর চোখ চুলকায় এবং নাকের মধ্যে শিরশির করে। নাক দিয়ে পানি পড়তে থাকে এবং বার বার হাঁচি আসে। মুখচোখ ফুলাফুলা থাকে এবং চোখ লাল হয়ে যায়। শরীরে কোনো জ্বর থাকে না। 

পরামর্শ : রোগীকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করতে হবে যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে। হাঁচি এবং নাকের পানি বন্ধ করার জন্য রোগীকে ক্লোরফেনিরামিন মেলিয়েট জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। যেমন- ট্যাব আকারে যেগুলো দেওয়া হয় তাহলো-  ট্যাব, পিরিটন, বা ট্যাব, এনটিসটা বা ট্যাব, ডিস্টামিন বা ট্যাব, হিস্টালেক্স বা ট্যাব হিস্টাসিন বা ট্যাব. হিস্টাল ইত্যাদি। 

এ ওষুধগুলো যেসব রোগী ট্যাব খেতে পারে না তাদের জন্য সিরাপও পাওয়া যায়। এই সিরাপ প্রতিদিন এক থেকে দুই চামচ করে তিনবার খাবার খাওয়ার পর তিন/পাঁচ দিন চলবে। 

কিউএনবি/অনিমা/১২ মার্চ ২০২৫,/রাত ৯:২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit