আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রোববার (২ মার্চ) বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন কিয়ার স্টারমার। বিবিসি ওয়ানের সানডে উইথ লরা কুয়েনসবার্গ অনুষ্ঠানে স্টারমার বলেন, ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির ‘তিক্ত বৈঠকের’ পর তিনি এই দুই নেতার মধ্যে ‘সেতু’ হয়ে কাজ করছেন।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-জেলেনস্কি বাগবিতণ্ডা দেখে তার কী মনে হয়েছে জানতে চাইলে, স্টারমার ঘটনাটিকে ছোট করে দেখার চেষ্টা করেন। বলেন ‘কেউ এটা দেখতে চায় না’। তবে স্বীকার করেন যে তিনি ‘অস্বস্তি’ বোধ করছেন। স্টারমার আরও বলেন, ‘আবার মূল বিষয়ে ফেরত যেতে’ জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তিনি।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তখন অনেক কিছুই করার ছিল। যেমন বিষয়টিতে আমরা কতটা ক্ষুব্ধ বা ক্ষুব্ধ নই তা জোরদার করা। অন্যটি হলো তাদের দুজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলা। এরপর ইউরোপের নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে কথা বলা।’
স্টারমার বলেন, ‘আমার প্রতিক্রিয়া ছিল, আমাদের এই সেতুবন্ধন করতে হবে। আমাদের এমন একটি উপায় খুঁজে বের করতে হবে যাতে আমরা সবাই একসাথে কাজ করতে পারি, কারণ শেষ পর্যন্ত এটাই সত্য যে আমরা তিন বছর রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এখন আমাদের স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছাতে হবে।’
সাক্ষাৎকারে, এই বিরোধের জন্য কাউকে দোষারোপ করেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি ট্রাম্প স্থায়ী শান্তি চান।’তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, ট্রাম্পকে বিশ্বাস করা যেতে পারে কি না। তখন তিনি এর ইতিবাচক উত্তর দেন।
স্টারমার আরও যোগ করেন, জেলেনস্কিকেও বিশ্বাস করা যেতে পারে, কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নয়। যে কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যেকোনো শান্তি চুক্তির জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে বলে সাফ জানান স্টারমার।
এদিকে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তীব্র বিতর্কের দুই দিন পর, ইউরোপীয় নেতাদের একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে জেলেনস্কির।
কিউএনবি/আয়শা/০২ মার্চ ২০২৫,/রাত ৮:৩০