রোববার বিকেল ৩ টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন ব্রুকহিল মার্কেটের সামনে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেন পুলিশ। গুলিবিদ্ধরা হলেন, হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকার মো: ডালিমের ছেলে কাপ্তান (১৬) এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পিটনা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়া (১৮)। তারা আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার পৃথক বাড়িতে ভাড়া বাসায় থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন। এছাড়া মাথায় ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন নড়াইলের লোহাগোড়া উপজেলার লোহাগড়া গ্রামের নুর মাহাম্মদ শেখের ছেলে শেখ আবু জাফর। বাকীদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের এস সুহি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক থেকে বকুল ভুইয়ার লোকজন ঝুটের গাড়ি নিয়ে বের হয়। কিছুক্ষণ পরেই শরীফ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির লোকজন ঝুট ও এর ব্যবসা দখলে নিতে হামলা করে। এসময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এসময় ছয় রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে কাপ্তান নামের এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া মঞ্জু মিয়া নামে গুলিবিদ্ধ আরেকজনকে বাইপাইল বগাবাড়ি এলাকার সাহারা মর্ডাণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই পক্ষের ছোড়া ইটের আঘাতে আরও অন্তত ৫ জনের মত আহত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে বকুল ভূইয়া ও শরীফ চৌধুরীর সক্রিয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলি ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসময় শরীফ চৌধুরীর ভাড়াটিয়া লোকজন বাপ্পি, ঘার কাটা জুয়েল, তানভীর, রিপন, রুহুল ইসলাম মুন্সি ও মাইনুদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্য হাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায়। এসময় বকুল ভূইয়ার লোকজনও পাল্টা গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। ঘন্টা ব্যাপী দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় ২জন এবং আরো বেশ কয়েকজন আহত হন।
কিউএনবি/আয়শা/৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/রাত ৮:০৫