শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে লাটভিয়ার দুই নাগরিক গ্রেফতার ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ স্বপ্ন পূরণে শাড়ি পরেই খালি পায়ে দৌড়ালেন ১,৬০০ কিলোমিটার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ছাড়বে না ইরান, মজুতও হস্তান্তর করবে না বিদ্যুৎ উৎপাদনে চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর, অনুমোদন দিলো বায়েরা আগামী ৫ বছরে ২ কোটি মানুষকে উন্নত চক্ষুসেবা দেবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মুহিত মুক্তির ২৩ ঘণ্টায় ৪৭ লাখ ভিউ! শুরুতেই চমকে দিল ‘ফিরে আসার গল্প’ আইএসইউতে দ্যা ফিট অ্যান্ড ফ্যাশন ফিয়েস্তা-২০২৬ অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ ও মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আল্লাহকে দুনিয়ায় দেখা সম্ভব নয়

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদা ও বিশ্বাস হলো, দুনিয়ায় আল্লাহকে দেখা সম্ভব নয়। এই আকিদা ও বিশ্বাস কোরআন দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহ বলেন, ‘কোনো দৃষ্টি তাঁকে (দুনিয়ায়) বেষ্টন করতে পারে না, বরং তিনিই সব দৃষ্টিকে বেষ্টন করেন। তিনি অতি সূক্ষ্মদর্শী এবং ভেতর-বাইরে সব বিষয়ে বিজ্ঞ।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১০৩)

এর প্রমাণ পাওয়া যায় মুসা (আ.)-এর ঘটনায়। মুসা (আ.) যখন ‘হে আমার রব, আমাকে দেখা দাও’ বলে আল্লাহকে দেখতে চেয়েছেন, তখন জবাবে আল্লাহ বলেছিলেন : ‘তুমি কখনো আমাকে দেখতে পারবে না।’

পবিত্র কোরআনে এসেছে : ‘মুসা যখন নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হলো, তখন তার রব তার সঙ্গে কথা বললেন। সে তখন নিবেদন করল, হে আমার রব! আপনি আমাকে দর্শন দিন।

আল্লাহ বলেন, তুমি আমাকে কখনো দেখতে পারবে না, তবে তুমি ওই পাহাড়ের দিকে তাকাও। যদি ওই পাহাড় স্বস্থানে স্থির থাকে তাহলে তুমি আমাকে দেখতে পারবে। অতঃপর তার রব যখন পাহাড়ে জ্যোতিস্মান হলেন তখন তা পাহাড়কে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিল, আর মুসা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গেল। যখন চেতনা ফিরে এলো তখন সে বলল, আপনি মহিমাময়, আপনার পবিত্র সত্তার কাছে আমি তাওবা করছি এবং আমিই সর্বপ্রথম ঈমান আনলাম।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৪৩)

মুসা (আ.) নবী হয়ে যখন এ জবাব পেয়েছিলেন, তখন বোঝা যায় যে অন্য কোনো জিন ও মানুষের পক্ষে আল্লাহকে দেখার সাধ্য নেই। তবে এসব কথা দুনিয়ার জীবনের জন্য প্রযোজ্য। কেননা পরকালে মুমিনরা আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করবেন। এ কথা বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত। কোরআনে এসেছে, ‘কিয়ামতের দিন অনেক মুখমণ্ডল সজীব ও প্রফুল্ল হবে। তারা নিজ রবকে দেখতে থাকবে।’ (সুরা : কিয়ামা, আয়াত : ২২-২৩)

দুনিয়ায় আল্লাহকে দেখা অসম্ভব হওয়ার বিষয়টি হাদিস দ্বারাও প্রমাণিত। আবদুল্লাহ ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের কেউ কখনো তার রবকে দেখতে পাবে না, যতক্ষণ না সে মৃত্যুবরণ করবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৬৯; তিরমিজি, হাদিস : ২২৩৫)

প্রশ্ন হলো, মিরাজজের রজনীতে মহানবী (সা.) কি সচক্ষে আল্লাহ তাআলাকে দেখেছেন? এ প্রশ্নের জবাব হলো, বিষয়টি নিয়ে সাহাবাদের যুগ থেকে মতভেদ আছে। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি মহান আল্লাহকে দেখেছেন আর কেউ কেউ বলেছেন, বরং তিনি আল্লাহর নুর দেখেছেন। আবু জার গিফারি (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি মিরাজে আপনার রবকে দেখেছিলেন? তিনি বলেন, নুর (দেখেছি)—কিভাবে তাঁকে আমি দেখব? (তিরমিজি, হাদিস : ৩২৮২)

কিউএনবি/অনিমা/০৭ জানুয়ারী ২০২৫,/রাত ৮:৩৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit