ডেস্ক নিউজ : তাই প্রয়োজন ছাড়া নামাজে রুমাল বা চাদর ইত্যাদি দিয়ে মুখ ঢেকে রাখবে না। যেহেতু নাক, মুখ ও কপাল একই সাথে ঢাকা হয় তাহলে চেহারা ঢাকা হয়। তাই একই সাথে এই তিন অঙ্গ ঢাকা মাকরুহ হবে।
পৃথকভাবে শুধু কপাল, নাক ও মুখ ঢাকাও মাকরুহ। হজরত নাফে (রহ.) বলেন, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) পাগড়ির প্যাঁচ (কপাল থেকে) না সরিয়ে তার ওপর সিজদা করা অপছন্দ করতেন। (আলআওসাত ৩/৩৪৩)
তাই নামাজের আগে শীতের টুপি বা পাগড়ি কপাল থেকে সরিয়ে নেয়া উচিত। কেননা এতে সেজদা ঠিকমতো না হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। অবশ্য এভাবে সিজদা করলেও তা শুদ্ধ হবে এবং নামাজ আদায় হয়ে যাবে।
কেউ যদি মাস্ক পরে তাহলে নাক ও মুখ ঢেকে যায়। এছাড়া শীতের টুপি, রুমাল ও মাফলার দিয়েও না ও মুখ ঢাকে। নামাজের সময় নাক ও মুখ খোলা রাখতে এসব সরাতে হবে।
তবে কারও যদি এমন হয় যে নাক ও মুখ ঢেকে না রাখলে শারীরিক সমস্যা হয় তাহলে যতটুকু সময় প্রয়োজন ততটুকু সময় নামাজ ঢেকে রাখা যাবে।
মনে রাখতে হবে কেউ যদি এসব অঙ্গ ঢেকে রেখে নামাজ পড়ে তাহলে তা আদায় হয়ে যাবে। তবে যেহেতু নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনটি করতে মানা করেছেন তাই যথাসম্ভব বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
কিউএনবি/আয়শা/৩০ ডিসেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২২