রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চবির সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরামের ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের নবীন- প্রবীণ নেতাদের মিলনমেলা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা হয়নি ১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান? ‎ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী ‘শিগগিরই’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সাথে বৈঠক করবেন পুতিন! আমিরাতের তিন বন্দর এলাকায় হামলার সতর্কবার্তা ইরানের গ্লাভস হেলমেট ছুড়ে মারায় সালমানের শাস্তি ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত  নিজ দায়িত্বে বাড়ি ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার 

পার্বতীপুর উপজেলা চত্ত্বরে কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ীর ক্ষতিপুরনের দাবীতে মানববন্ধ।

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৩ Time View

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা উত্তোলনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ীর ক্ষতিপূরণের দাবীতে কৃষি ও বসতবাড়ী রক্ষা কমিটির উপজেলা চত্বরে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন ও স্মাকলিপি প্রদান।

গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় হামিদপুর ইউপির বাঁশপুকুর কাজিপাড়া এলাকায় কৃষি ও বসতবাড়ী রক্ষা কমিটির সভাপতি মাহামুদুল নবী ও সাধারণ সম্পাদক সালমান এর নেতৃত্বে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় এবং মানববন্ধন শেষে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ফাতেমা খাতুন এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মাকলিপি প্রদান করেন।

কৃষি ও বসতবাড়ী রক্ষা কমিটির সভাপতি মাহামুদুল নবী মানববন্ধনে বলেন, ২০১৬ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সিসমিক টেস্ট এর কারণে ঘরবাড়ী ফেটে গেলে কর্তৃপক্ষক ক্ষতিপূরণ দেন। ২০২৪ সালের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষে পূরনায় ৮টি মৌজা সার্ভে করা হয়। সার্ভেকৃত ৮টি মৌজার চেক প্রদান করা হলেও বাঁশপুকুর ও গোপালপাড়া মৌজার আংশিক চেক প্রদান করেন। তালিকা ভূক্ত অবশিক্ষ ক্ষতিগ্রস্থদের এখন পর্যন্ত স্থগিত রাখেন ক্ষতি কর্তৃপক্ষ।

বাঁশপুকুর কাজীপাড়া গ্রামের ফাটল বাড়ীগুলির ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে না। অথচ এই এলাকার মানুষের অফুরন্ত সম্পদের ক্ষতি হলেও আমাদের বাড়ী মাটির নিচে থেকে যে পরিমান কয়লা তোলা হচ্ছে তা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। অথচ আমাদের ন্যায দাবীর প্রতি খনি কর্তৃপক্ষ কোন নজর দিচ্ছে না। এই অঞ্চলের মানুষ তাদের ন্যায অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

চলতি বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা না হলে আমরা বৃহত থেকে বৃহত্ত্বর আন্দোলন গড়ে তুলব। মানববন্ধন শেষে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা খাতুন এর সাথে সাক্ষাত করে খনি এলাকার মানুষের কি অবস্থা তা জানান। এ ব্যাপারে কয়লাখনি এলাকার ব্যবস্থাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। মানববন্ধনে খনি এলাকার ২ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ নভেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit