রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চবির সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরামের ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের নবীন- প্রবীণ নেতাদের মিলনমেলা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা হয়নি ১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান? ‎ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী ‘শিগগিরই’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সাথে বৈঠক করবেন পুতিন! আমিরাতের তিন বন্দর এলাকায় হামলার সতর্কবার্তা ইরানের গ্লাভস হেলমেট ছুড়ে মারায় সালমানের শাস্তি ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত  নিজ দায়িত্বে বাড়ি ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার 

‘জাহাজ’ উপাধিপ্রাপ্ত এক সাহাবির কথা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৫৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : নবীজি (সা.)-এর সাহচর্যপ্রাপ্ত সাহাবি ও আজাদকৃত গোলাম হজরত সাফিনাহ (রা.)। সাফিনাহ শব্দের শাব্দিক অর্থ জাহাজ। তিনি এই নামে প্রসিদ্ধ হওয়ার পেছনে একটি বিশেষ ঘটনা রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, মূলত তাঁর নাম ছিল মিহরান, মিফলাহ, আবস, আহমার অথবা রূমান।

এক বর্ণনা মতে, তিনি উম্মে সালামা (রা.)-এর আজাদকৃত গোলাম, রাসুল (সা.)-এর নয়। অপর বর্ণনা মতে, তিনি হজরত উম্মে সালামা (রা.)-এর গোলাম ছিলেন বটে, তবে তিনি রাসুল (সা.)-কে হাদিয়াস্বরূপ দান করেন। পরবর্তী সময়ে রাসুল (সা.) তাঁকে আজাদ করে দেন।

ইবনে কাসির (রহ.) বলেন, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রহ.) বিশিষ্ট তাবেঈ সাঈদ ইবনে জুমহান (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাজ্জাজের যুগে আমি ‘বতনে নাখলা’ নামক স্থানে সাফিনাহ (রা.)-এর সাহচর্যে তিন দিন ছিলাম।
তখন আমি তাঁকে রাসুল (সা.)-এর অনেক হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞসা করি। পরিচয়পর্বে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনার নাম কী? প্রতি উত্তরে তিনি বললেন, তা তো আমি বলব না। তবে রাসুল (সা.) আমার নাম রেখেছেন ‘সাফিনাহ’। এখন এটাই আমার নাম।

এরপর আমি প্রশ্ন করলাম, কেন এই নাম দিয়েছেন তিনি? বললেন, কোনো এক সফরে রাসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের পক্ষে সামানপত্র বহন করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তখন প্রিয় নবী (সা.) আমাকে বললেন, তোমার চাদর বিছাও। আমি চাদর বিছালাম। সবাই আমার চাদরে নিজেদের সামানপত্র জমা করল। অতঃপর তা আমার ওপর (কাঁধে বা মাথায়) তুলে দিলেন।

তখন রাসুল (সা.) আমাকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘ওঠাও! তুমি একটি সাফিনাহ তথা জাহাজ।’ সাফিনাহ (রা.) বলেন, আল্লাহর কসম! সেদিন এক-দুটি উট নয়, যদি ছয়-সাতটি উটের বোঝাও আমি বহন করতাম, তবে তা আমার জন্য ভারী অনুভব হতো না। অপরাপর বর্ণনায় অন্যান্য কারণ উল্লেখ রয়েছে। (আনসাবুল আশরাফ ১/৪৮০পৃ., ক্র. ৫৭০; আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ্ ৪/৬২৩—৬২৫ পৃ.)

লেখক : মুহাদ্দিস, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাইজদী, নোয়াখালী

কিউএনবি/অনিমা/০৯ নভেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit