মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় অভিযোগ করেছে, ‘দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন খালি করা হয়েছে। বিজেপির নির্দেশে, লেফটেন্যান্ট গভর্নর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে অতীশির জিনিসপত্র জোর করে সরিয়ে নিয়েছেন।’লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অফিস সূত্র এএপির দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে এবং বলেছে, ‘অতীশি নিজেই তার জিনিসপত্র তাকে বরাদ্দ করার আগে সেই বাড়িতে রেখেছিলেন এবং পরে নিজেই সেগুলো সরিয়ে নিয়েছেন।
সূত্র দাবি করেছে ‘এই বাড়িটি এখনও মুখ্যমন্ত্রী অতীশিকে বরাদ্দ করা হয়নি। তার নামে বরাদ্দ বাসভবন এখনও ১৭ এবি মথুরা রোড। কীভাবে দুটি বাসভবন তার নামে বরাদ্দ হতে পারে?’ অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর গত বছর অতীশিকে ১৭ এবি মথুরার বাসভবন বরাদ্দ করা হয়েছিল।
সূত্রগুলো আশ্বাস দিয়েছে যে, পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (পিডব্লিউডি) তালিকা প্রস্তুত করার সাথে সাথেই মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলোটি বরাদ্দ করা হবে। ভিডিওতে দেখা গেছে, সরকারি বাসভবন থেকে বেশ কিছু কার্টন এবং লাগেজ বের করে নেয়া হচ্ছে।
ওই বাসভবনে একটি ডাবল তালা লাগানো হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। চাবি হস্তান্তরের বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের (পিডব্লিউডি) কাছে যথাযথ কাগজপত্র জমা দেয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।
অতীশি সোমবার উত্তর দিল্লির সিভিল লাইনসের ফ্ল্যাগস্টাফ রোডের ৬ নম্বর বাংলোতে ওঠেন। তার পূর্বসূরি অরবিন্দ কেজরিওয়াল, যিনি নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাড়িটিতে ছিলেন, কয়েকদিন আগে এটি খালি করে দেন। এর কয়েক ঘন্টা পরে, বিজেপি দাবি করে যে বাংলোটি এখনও নতুন বরাদ্দের জন্য পিডব্লিউডি-কে হস্তান্তর করা হয়নি।
এদিকে বিরোধী দলের নেতা বিজেন্দর গুপ্ত, ৬ অক্টোবর তারিখে একটি কথিত পিডব্লিউডি এর একটি চিঠি শেয়ার করেন এবং অভিযোগ করেন কেজরিওয়াল তার বাংলো খালি করেননি এবং তার বেশিরভাগ জিনিসপত্র এখনও সেখানে রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি