এসময় মাটিরাঙ্গা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো.মুরাদ হোসাইন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো.সবুজ আলী, মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডা.মিল্টন এিপুরা,মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো.তৌফিক, মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.আতাউর রহমান দিপু,উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো.বদিউল আলম বদি,পৌর বিএনপির সভাপতি মো.শাহ জালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নাগরিক ও নিরাপত্তা কমিটির সভাপতি নুর আলম, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো.জসীম উদ্দিন জয়নাল, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মাটিরাঙ্গা উপজেলার সেত্রুেটারি মো.আব্দুল জলিল, মাটিরাঙ্গা উপজেলা ইসলামি আন্দোলন এর সভাপতি মো.নুরুল ইসলাম,বাংলাদেশ হেফাজত ইসলামী মাটিরাঙ্গা উপজেলা সভাপতি মো.আক্তার হোসেন ফারুকি,ধলিয়া মৌজার হেডম্যান চাইলাপ্রু চৌধুরী,সহ সামরিক- বেসরকারী পদস্থ কর্মকর্তা, হেডম্যান,কার্বারি, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পার্বত্যাঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে পাহাড়ি-বাঙ্গালী কেউ শান্তিতে নাই। সন্ত্রাসী কর্মকান্ড,গুম, খুন ,হত্যা ও চাঁদাবাজি রোধে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে পার্বত্যাঞ্চল হতে প্রত্যাহার কৃত সেনা ক্যাম্প পুন:স্থাপনের দাবি জানান বক্তারা।সভাপতির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লেঃকর্ণেল মো.কামরুল হাসান পিএসসি বলেন, সম্প্রতি পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসকতায় পাহাড়ে একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্টি যদি সেনা বাহিনীকে বিতর্কীত করার চিন্তাকরে,তাহলে দিন শেষে কিন্তু রাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্থ্ হবে।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের একটি গর্বিত বাহিনী। পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় আন্তরিকতার কাজ করে যাচ্ছে। গুজবে কান না দিয়ে। সবাই সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। সামনে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে যেন পালন করতে পারে সেদিকে সবাই সর্তক থাকতে হবে।প্রতিটি পূজামন্ডপে পূজারীরা যেন পূজা করতে পারে সে জন্য পুলিশ আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সেনাবাহিনী মাঠ পর্যায়ে টহল থাকবে।এলাকায় চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের সঠিক তথ্যদিয়ে সেনাবাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।