কোয়াড নেতারা একটি অবাধ, উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় জানান। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়ন, অর্থনীতি ও নিরাপত্তায় চার দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত এই জোট বা স্ট্র্যাটেজিক গ্রুপ ‘কোয়াড’ নামেই পরিচিত। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোয়াড সম্মেলনেও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বিক্রম মিশ্রিকে প্রশ্ন করেন, কোয়াড নেতাদের আলোচনায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ ছিল কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আলোচনায় এই অঞ্চলের নানা বিষয় এসেছে। এসব বিষয় কোনো একটি পক্ষ বা অন্যান্য পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট হতে পারে। কিন্তু এই অঞ্চলের বাইরেও এগুলোর গুরুত্ব আছে এবং এই পরিপ্রেক্ষিতে অনেক পরিস্থিতি আলোচনা এসেছে। বাংলাদেশ প্রসঙ্গও আলোচনা উঠে এসেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।’
এর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত মাসে বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মোদি। সে সময় এক এক্স বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ফোনালাপে বাংলাদেশে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু-বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।