আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ইসরাইল থেকে প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। প্রতিবেশী লেবানন সীমান্তে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর প্রতিদিনের হামলার ভয়ে তারা সরে যান।
গত বছরের ৮ অক্টোবর থেকে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে সহিংসতা বেড়ে যায়। ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের আকস্মিক হামলার পরদিন থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে হিজবুল্লাহ সীমান্তে হামলা চালানো শুরু করে। এরপর থেকে সেখানে ইসরাইল-হিজবুল্লাহর পাল্টিাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি তাদের যুদ্ধের একটি লক্ষ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করে নতুন ‘ওয়ার গোল’ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইসরাইল এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে। এর আগে সোমবার ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেছিলেন যে, ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায় হচ্ছে সামরিক পদক্ষেপ।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে হামাসের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়া এবং গাজায় হামাসের সংঘাত শেষ করতে না চাওয়ার কারণে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তাই উত্তরের বাসিন্দাদের ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ হলো সামরিক হামলা। এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন নতুন করে সহিংসতা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গত বছরের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর গাজায় সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় ৪১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৯৫ হাজারের বেশি।
কিউএনবি/আয়শা/১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:০৮