প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা করে বলেন, তিনি ‘বাংলাদেশের ভালো বন্ধু’ এবং আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনেও এই ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ‘কুয়েতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ গড়ে তোলার আশা করছে।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বলেন, উপসাগরীয় আমিরাতে তিন লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কাজ করছেন এবং তার দেশ বাংলাদেশ থেকে আরও কর্মী নিয়োগ দিতে আগ্রহী।
কুয়েতে পাঁচ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সৈন্য কাজ করছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা আরও ডাক্তার, নার্স এবং প্রকৌশলী নিয়োগ করতে চাই।’
বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা, প্রতিরক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিন ইস্যু এবং জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে সহযোগিতার কথা তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার জন্য কুয়েতকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে জ্বালানি ও বিনিয়োগে বৃহত্তর সহযোগিতা কামনা করেন।