বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস নওগাঁর পত্নীতলায় দৈনিক করতোয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে খানপুর ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত অপপ্রচারের অভিযোগে দিনাজপুরে এনসিপি নেতার সংবাদ সম্মেলন॥ এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও দরজা বন্ধ হয়ে আসছে সাকিবের ২৪ ঘণ্টার আলোচনায় অমিত শাহ, রাহুলের সাফ কথা— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লেকচার শুনতে আগ্রহী নই খুলনা বরিশাল চট্টগ্রামসহ ৭ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আজকের মুদ্রার রেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

অনবরত হাঁচি থেকে মুক্তি পেতে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮১ Time View

স্বাস্থ্য ডেস্ক : হে ফিভার বা অ্যালার্জি হলে সেই রোগীর অধিক পরিমাণ হাঁচি হতে থাকে। নাক দিয়ে সব সময় পানির মতো পড়তে থাকে এবং নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। 

এই রোগের উৎপত্তি সাধারণত ধুলাবালি থেকে। এছাড়া ফুলের রেণু, তুলার আঁশ বা রোগী সেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। এই অ্যালার্জির কারণে হে ফিভার বা অনবরত হাঁচি হতে থাকে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগীদের এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায়। অর্থাৎ আমাদের দেশে বিশেষ ঋতুতে বিশেষ কোনো ফুল যেমন হতে পারে ঘাস ফুল বা সজিনা ফুল ফুটলে এই ফুলের রেণুগুলো বাতাসের সঙ্গে মিশে নিঃশ্বাসের সঙ্গে মানুষের শরীরে প্রবেশ করেও অ্যালার্জি সৃষ্টি হয়। সাধারণত এটা ঘাস ফুলের রেণু থেকেই বেশি অ্যালার্জি হয়ে থাকে। অনেক খাবার থেকে বা ধুলাবালি থেকে যদি অ্যালার্জি সৃষ্টি হয় তাহলে প্রায় সারা বছরই এ রোগের উপসর্গগুলো দেখা যায়। এই রোগের নাম হে ফিভার হলেও অ্যালার্জির কারণে হাঁচিতে জ্বর হয় না। সর্ব প্রথম ঠিক করতে হবে কোন জিনিস থেকে এই রোগের সূত্রপাত হয় সেটা আগে নির্ণয়ের চেষ্টা করতে হবে। সাধারণত সেসব জিনিস থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।  

রোগের লক্ষণ : হে ফিভার রোগ হলে রোগীর মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- * রোগীর চোখ চুলকায় এবং নাকের মধ্যে শিরশির করে। * নাক দিয়ে পানি পড়তে থাকে এবং বার বার হাঁচি আসে। * মুখচোখ ফুলাফুলা থাকে এবং চোখ লাল হয়ে যায়। * শরীরে কোনো জ্বর থাকে না। 

পরামর্শ : রোগীকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করতে হবে যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে। * হাঁচি এবং নাকের পানি বন্ধ করার জন্য রোগীকে ক্লোরফেনিরামিন মেলিয়েট জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। যেমন, ট্যাব আকারে যেগুলো দেওয়া হয় তাহলো : ট্যাব, পিরিটন, বা ট্যাব, এনটিসটা বা ট্যাব, ডিস্টামিন বা ট্যাব, হিস্টালেক্স বা ট্যাব হিস্টাসিন বা ট্যাব. হিস্টাল ইত্যাদি। 

এ ওষুধগুলো যেসব রোগী ট্যাব খেতে পারে না তাদের জন্য সিরাপও পাওয়া যায়। এই সিরাপ প্রতিদিন এক থেকে দুই চামচ করে তিনবার খাবার খাওয়ার পর তিন/পাঁচ দিন চলবে। 

লেখক : বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

কিউএনবি/অনিমা/০৭ অগাস্ট ২০২৪,/দুপুর ১:৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit