ডেস্ক নিউজ : জানা যায়, শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে অবস্থানের ঘোষণ দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকেই ওই এলাকায় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। পাশাপাশি অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। অপরদিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান নেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীসহ কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানেও বিজিবি ও পুলিশ সাঁজোয়া যান নিয়ে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন শিক্ষার্থীরা।
মিছিলটি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ের দিকে আসতে শুরু করে। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ প্রথমে আন্দোলনকারীদের থামানোর চেষ্টা করে। এরপরই সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ছুড়তে শুরু করে। আন্দোলনকারীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরাও ইটপাটকেল মারেন। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিয়ে পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় গিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর আন্দোলনকারীরা মেডিকেল কলেজ এলাকায় ঢুকে পড়ে। সেখানেও তাদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় এক পুলিশ সদস্যসহ ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত সঞ্জয় বৈরাগী নামে এক শিক্ষার্থীকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরে রাবার বুলেটের আঘাত রয়েছে বলে কর্তব্যরত সিনিয়র নার্স আফসানা আফরোজ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ অগাস্ট ২০২৪,/বিকাল ৫:৪০