রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রামকে ৩ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী কেউ আমাকে বোঝায়নি, আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি: ট্রাম্প ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে ৪৫টি আবেদন মঞ্জুর বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল রাঙামাটিতে ১০২ শিক্ষার্থী পেল গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরে ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের দাবি শিক্ষার্থীদের খাগড়াছড়িতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন মুসলিম লীগ প্রার্থী মোস্তফা আল ইহযায ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত  নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীর জায়গা দখল করে বিএনপির কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ রাঙ্গামাটির পর্যটনে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ গবেষকদের

শরীয়তপুরে পানির দামে দুধ বিক্রি, খামারীদের মাঝে হতাশা

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীতপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪
  • ৭৪ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীতপুর প্রতিনিধি : পুষ্টিগুনে ভরপুর সুষম খাদ্য দুধ। সেই দুধ শরীয়তপুরে কোথাও কোথাও বিক্রি হচ্ছে পানির দামে। এমন সংবাদ অবাক করার মতো হলেও সত্য। তাই দুধ উৎপাদন করতে গিয়ে নিয়মিত লোকসানের সম্মুখিন হতে হয় খামারীদের। অথচ দুধে তৈরী ঘি ও মিষ্টি বিক্রি হয় উচ্চ মূল্যে। বাধ্য হয়ে খামার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খামারীরা। অনেক গৃহস্থ আবার গাভী বিক্রি করে দিয়েছেন। গো-খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং দুধ উৎপাদনে কাচা ঘাসের ব্যবহার ও চিলিং পয়েন্টে দুধ বিক্রি করা সম্ভব হলে খামারীরা দুধের সঠিক মূল্য পাবে বলে ধারণা করেছেন প্রাণীসম্পদ দপ্তর।

প্রাণীসম্পদ দপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলায় ৯৭৯টি ছোটবড় দুগ্ধ খামার রয়েছে। খামার গুলিতে রয়েছে ২০ হাজারের বেশী দুগ্ধদানকারী গাভী। বছরে ১ লক্ষ ৩ মেট্রিকটন দুধ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয় খামার থেকে। ইতোমধ্যে দুধের উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে। প্রতি চার জনে ১ কিলোগ্রাম করে দুধ পান করলে দুধের চাহিদা ও মূল্য দুটোই বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছেন দপ্তরের কর্মকর্তা।বেশীর ভাগ দুধ বাজারে গিয়ে দেখা যায় দুধ বিক্রি হয় পানির দামে। দেখা যায় একজন ক্ষুদ্র খামারী আধা কেজি দুধ ২০ টাকায় বিক্রি করে। আবার আধা লিটার মিনারেল ওয়াটার ২০ টাকায় কিনে পান করে। কেউ যদি দুধ নিয়ে শহরে যেতে পারে তাহলে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় দুধ বিক্রি করা সম্ভব হবে।

সদর উপজেলার চিকন্দী, গয়াতলা, চন্দ্রপুর ও গঙ্গানগর বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসা খামারীরা জানায়, প্রতি কেজি ভূষি ৬০ টাকা, দানাদার খাদ্য ৭০ টাকা ও কুড়া কিনতে হয় ২৫ টাকায়। ১ কেজি দুধ উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। নিজেদের গাধাঁর খাটুনির মূল্যতো ধরাই হয় না। আর সেই দুধ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে তারা নিয়মিত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই অনেকে গাভী বিক্রি করে দিয়েছেন।জেলা শহরের পালং বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দুধ বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। সেখানেও আমদানী বেড়ে গেলে দুধের দাম কমে যায় বলে জানায় দুধ বিক্রি করতে আসা খামারীরা।

ক্রেতারা জানায়, শহরে দুধের দাম বেশী। ৭০ টাকার কমে দুধ পাওয়া যায় না। তাই তারা গ্রাম্য বাজার থেকে ৪০ টাকা দরে দুধ কিনেন। তাছাড়া গ্রাম্য বাজারের দুধে ভেজালও কম থাকে।বাহার এগ্রোর পরিচালক মতিউর রহমান বাহার জানায়, সে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি খামার গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার খামারের বয়স ৫ বছর হতে চলেছে। দুধের দাম কম থাকায় তাকে লোকসান গুনতে হয় প্রতিনিয়ত।

জেলা কৃত্রিম প্রজণন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানায়, দানাদার খাবারের ব্যবহার কমিয়ে এনে গাভিকে কাচা ঘাস দিতে হবে। তাহলে দুধের উৎপাদন খরচ কমবে। সেই সাথে কৃষকদের সমিতি ভিত্তিক চিলিং পয়েন্টে দুধ বিক্রি করতে পারলে দুধের সঠিক মূল্য পাওয়া সম্ভব।

কিউএনবি/অনিমা/১১ জুলাই ২০২৪,/বিকাল ৩:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit