বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের মুগ্ধতার লড়াই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে কতজন হাসপাতালে, মুখ খুলল ইসরাইল নওগাঁর পত্নীতলায় সম্প্রীতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী পাপ মুক্ত জীবনের প্রশিক্ষণের মাস হচ্ছে রমজান- মিয়া গোলাম পরওয়ার অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এ কে এম সুলতান মাহমুদ রচিত “মুখ ও মুখোশ” উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন উলিপুরে সুলভ মূল্যে দুধ ও ডিম বিক্রয়ের উদ্বোধন ওমান উপসাগরে ইরানের সব যুদ্ধজাহাজ ধংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক  চোরাচালান মালামাল আটক সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড? পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে

শরীয়তপুরে পানির দামে দুধ বিক্রি, খামারীদের মাঝে হতাশা

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীতপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪
  • ৭৫ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীতপুর প্রতিনিধি : পুষ্টিগুনে ভরপুর সুষম খাদ্য দুধ। সেই দুধ শরীয়তপুরে কোথাও কোথাও বিক্রি হচ্ছে পানির দামে। এমন সংবাদ অবাক করার মতো হলেও সত্য। তাই দুধ উৎপাদন করতে গিয়ে নিয়মিত লোকসানের সম্মুখিন হতে হয় খামারীদের। অথচ দুধে তৈরী ঘি ও মিষ্টি বিক্রি হয় উচ্চ মূল্যে। বাধ্য হয়ে খামার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খামারীরা। অনেক গৃহস্থ আবার গাভী বিক্রি করে দিয়েছেন। গো-খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং দুধ উৎপাদনে কাচা ঘাসের ব্যবহার ও চিলিং পয়েন্টে দুধ বিক্রি করা সম্ভব হলে খামারীরা দুধের সঠিক মূল্য পাবে বলে ধারণা করেছেন প্রাণীসম্পদ দপ্তর।

প্রাণীসম্পদ দপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলায় ৯৭৯টি ছোটবড় দুগ্ধ খামার রয়েছে। খামার গুলিতে রয়েছে ২০ হাজারের বেশী দুগ্ধদানকারী গাভী। বছরে ১ লক্ষ ৩ মেট্রিকটন দুধ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয় খামার থেকে। ইতোমধ্যে দুধের উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে। প্রতি চার জনে ১ কিলোগ্রাম করে দুধ পান করলে দুধের চাহিদা ও মূল্য দুটোই বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছেন দপ্তরের কর্মকর্তা।বেশীর ভাগ দুধ বাজারে গিয়ে দেখা যায় দুধ বিক্রি হয় পানির দামে। দেখা যায় একজন ক্ষুদ্র খামারী আধা কেজি দুধ ২০ টাকায় বিক্রি করে। আবার আধা লিটার মিনারেল ওয়াটার ২০ টাকায় কিনে পান করে। কেউ যদি দুধ নিয়ে শহরে যেতে পারে তাহলে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় দুধ বিক্রি করা সম্ভব হবে।

সদর উপজেলার চিকন্দী, গয়াতলা, চন্দ্রপুর ও গঙ্গানগর বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসা খামারীরা জানায়, প্রতি কেজি ভূষি ৬০ টাকা, দানাদার খাদ্য ৭০ টাকা ও কুড়া কিনতে হয় ২৫ টাকায়। ১ কেজি দুধ উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। নিজেদের গাধাঁর খাটুনির মূল্যতো ধরাই হয় না। আর সেই দুধ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে তারা নিয়মিত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই অনেকে গাভী বিক্রি করে দিয়েছেন।জেলা শহরের পালং বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দুধ বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। সেখানেও আমদানী বেড়ে গেলে দুধের দাম কমে যায় বলে জানায় দুধ বিক্রি করতে আসা খামারীরা।

ক্রেতারা জানায়, শহরে দুধের দাম বেশী। ৭০ টাকার কমে দুধ পাওয়া যায় না। তাই তারা গ্রাম্য বাজার থেকে ৪০ টাকা দরে দুধ কিনেন। তাছাড়া গ্রাম্য বাজারের দুধে ভেজালও কম থাকে।বাহার এগ্রোর পরিচালক মতিউর রহমান বাহার জানায়, সে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি খামার গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার খামারের বয়স ৫ বছর হতে চলেছে। দুধের দাম কম থাকায় তাকে লোকসান গুনতে হয় প্রতিনিয়ত।

জেলা কৃত্রিম প্রজণন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানায়, দানাদার খাবারের ব্যবহার কমিয়ে এনে গাভিকে কাচা ঘাস দিতে হবে। তাহলে দুধের উৎপাদন খরচ কমবে। সেই সাথে কৃষকদের সমিতি ভিত্তিক চিলিং পয়েন্টে দুধ বিক্রি করতে পারলে দুধের সঠিক মূল্য পাওয়া সম্ভব।

কিউএনবি/অনিমা/১১ জুলাই ২০২৪,/বিকাল ৩:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit