আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মঙ্গলবার (২ জুলাই) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান বলেছেন, সৌদি আরবের তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো দুটি অপ্রচলিত তেলক্ষেত্র, একটি তেলের মজুত, দুটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র ও দুটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে।
আবিষ্কৃত সাতটি তেল ও গ্যাসের মজুতের মধ্যে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে দুটি অপ্রচলিত তেলক্ষেত্র ও একটি তেলের মজুত পাওয়া গেছে। অন্যদিকে রাব আল-খালি মরুভূমিতে পাওয়া গেছে দুটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র ও দুটি গ্যাসের মজুত।
ভেনেজুয়েলার পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত মজুত রয়েছে সৌদি আরবে। ২০২৮ সালের মধ্যে অপরিশোধিত উৎপাদন ক্ষমতা ১২.৩ মিলিয়ন বিপিডিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য তেল-উৎপাদনকারী দেশগুলোর মতো, সৌদি আরব ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে লাভবান হয়েছিল।
কিউএনবি/আয়শা/০২ জুলাই ২০২৪,/রাত ৮:৫৪