শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হামের প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল যুদ্ধ মানেই গণহত্যা, শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান মাহাথির মোহাম্মদের ইরানের এখনই ‘বিজয় ঘোষণা’ করে যুদ্ধ শেষ করা উচিত: জাভেদ জারিফ কিছু মানুষ কারণ ছাড়াই আমাকে পছন্দ করে না: নেইমার অফিস ৯টা থেকে ৪টা, ৬টায় মার্কেট বন্ধ: মন্ত্রিসভায় গুচ্ছ সিদ্ধান্ত নওগাঁয় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পানির ফিল্টার প্রদান  নওগাঁয় দড়িবাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু সাভারে ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন চৌগাছায় আগুন লেগে উপজেলা আইসিটি অফিস ও দুটি দোকান পুড়ে গেছে, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি 

মালয়েশিয়ার ঘটনায় দায়ীদের বিচার হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪
  • ৭৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশি কর্মী যেতে না পারার বিষয়টি অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

বুধবার (৫ জুন) সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর এক প্রশ্নের জবাবে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

মালয়েশিয়া শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে কেন এত মানুষ বিড়ম্বনায় পড়ল প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই সব ঠিক করা হয়, লোক পাঠানোর জন্য তখনই দেশের ও মালয়েশিয়ার এক শ্রেণির ম্যানপাওয়ার ব্যবসায়ী তড়িঘড়ির চেষ্টা করে। ফলে জটিলতা ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে তাদের চাকরি ও কর্ম কিছুই ঠিক থাকে না। কিন্তু এবারেরটি অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার আইন, সুযোগ-সুবিধা তৈরি করার পরও কেউ কেউ দালাল ধরে যান। কিছু মানুষ আছে, দ্রুত তড়িঘড়ি করে যেতে চায়। নিয়ম মানতে চান না।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষদের নাগালের মধ্যে কমিউনিটিবেজড স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করেছে সরকার। কমিউনিটি ক্লিনিক বর্তমান সরকারের সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত গ্রামীণ জনগণের কাছে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সমন্বিত স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবা পাচ্ছেন। ১৯৯৮-২০০১ সময়ে ১০ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত ও অধিকাংশই চালু করা হয় এবং জনগণ সেবা পেতে শুরু করে। কিন্তু ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর এ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এ অবস্থা ২০০৮ সাল পর্যন্ত চলমান থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নদী ভাঙন ও অন্যান্য কারণে ৯৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক ধ্বংস হয়ে যায় এবং ১০ হাজার ৬২৪টি বিদ্যমান থাকে।

এদিকে, সারাদেশে ১৪ হাজার ২৯২টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে মোট ১৪ হাজার ২৭৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে এবং ৯৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ‘রেভিটালাইজেশন অব কমিউনিটিজ হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ (আরসিএইচসিআইবি)’ প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক পুনরুজ্জীবিতকরণ কার্যক্রম শুরু হয় বলে যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে গ্রামীণ জনগণকে মূলত স্বাস্থ্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য উন্নয়ন, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগ শনাক্তকরণ, সীমিত নিরাময়মূলক সেবাসহ জরুরি ও জটিল রোগীদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য উচ্চতর পর্যায়ে রেফার সংক্রান্ত সেবা দেয়া হচ্ছে দাবি করে সরকার প্রধান আরও বলেন, অসংক্রামক রোগসমূহ প্রাথমিকভাবে নিরূপণ এবং উচ্চতর পর্যায়ে রেফার যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আর্সেনিকোসিস, অটিজম ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম আরো জোরদার করা এবং একটি কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এর আগে বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে চলতি বছরের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে।

কিউএনবি/অনিমা/০৫ জুন ২০২৪,/রাত ৮:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit