শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে বাছাইপর্বে পঞ্চম বাংলাদেশ ক্যানসার চিকিৎসার কার্যকারিতা কমাতে পারে ভিটামিন বি৩: নতুন গবেষণা পুরুষদের জন্য ‘গর্ভনিরোধক’ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, চেম্বার সভাপতির প্রশংসা সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের ৪৪তম অধিবেশন শুরু এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মেলানিয়া ট্রাম্প লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু ‘বিএনপির ভেতর রাজাকার নেই, সব জামায়াতে’ মির্জা ফখরুলের নামে ফটোকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল

রমজানে ওমরাহর বিশেষ সওয়াব

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ১১১ Time View

ডেস্ক নিউজ : পবিত্র রমজান মাস আসন্ন। সিয়াম সাধনার এই মাসে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের বহু নিয়ামত দান করেন, তাদের বহু গুনাহ ক্ষমা করেন। এবং ইবাদতের প্রতিদান বাড়িয়ে দেন। প্রত্যেক মুমিনের উচিত, পবিত্র রমজান মাসের ফজিলতগুলো অর্জনে চেষ্টা করা।

রমজানের একটি আর্থিক ইবাদত রয়েছে, যা দিয়ে মুমিন অফুরন্ত সওয়াব অর্জন করতে পারে। আর তা হলো—রমজানের ওমরাহ। কোনো সামর্থ্যবান মুসলিম যদি এই সুযোগ লুফে নিতে পারেন, তবে তাঁর জন্য কল্যাণকর হবে। কেননা নবীজি (সা.)-এর হাদিসে এসেছে, রমজানে ওমরাহ পালন করলে হজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়।

ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) এক আনসারি মহিলাকে বলেন, আমাদের সঙ্গে হজ করতে তোমার বাধা কিসের? ইবনে আব্বাস (রা.) মহিলার নাম বলেছিলেন, কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছি। মহিলা বলল, আমাদের একটি পানি বহনকারী উট ছিল, কিন্তু তাতে অমুকের পিতা ও তাঁর পুত্র (অর্থাৎ মহিলার স্বামী ও ছেলে) আরোহণ করে চলে গেছেন। আর আমাদের জন্য রেখে গেছেন পানি বহনকারী আরেকটি উট, যার দ্বারা আমরা পানি বহন করে থাকি। নবী (সা.) বলেন, আচ্ছা, রমজান এলে তখন ওমরাহ করে নিও।

কেননা রমজানের একটি ওমরাহ একটি হজের সমতুল্য। অথবা এরূপ কোনো কথা তিনি বলেছিলেন। (বুখারি, হাদিস : ১৭৮২)
সুবহানাল্লাহ, কোনো বর্ণনায় তো এমনও পাওয়া যায় যে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, আমার সঙ্গে হজ করার সমতুল্য। কবুল হজ এমন একটি ইবাদত, যার প্রতিদান একমাত্র জান্নাত। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা হজ ও ওমরাহ পরপর একত্রে আদায় করো।

কেননা, এই হজ ও ওমরাহ দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে দেয়, লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা যেমনভাবে হাপরের আগুনে দূর হয়। একটি কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়। (তিরমিজি, হাদিস : ৮১০)

তবে এ কথা স্মরণ রাখতে হবে যে রমজানে ওমরাহ করলে হজের সওয়াব মানে এই নয় যে কেউ রমজানে ওরমাহ করে নিলে তাকে আর ফরজ হজ করতে হবে না; বরং যাদের ওপর হজ ফরজ হয়েছে, তাদের অবশ্যই ফরজ হজ আদায় করতে হবে। রমজানের ওমরাহর দ্বারা ফরজ হজ আদায় হবে না।

কিউএনবি/অনিমা/০৫ মার্চ ২০২৪/দুপুর ২:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit