আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, খান ইউনিস থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়ার একদিন পরই ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএম) এ অভিযান শুরু করেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে নাসের হাসপাতালে বন্দীদের রেখেছে হামাস। যোদ্ধারা তাদের অপারেশনের জন্য মেডিকেল কম্পাউন্ড ব্যবহার করছে বলেও ধারণা।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুযারি) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে আইডিএফ হামাসকে ধ্বংষ করার এবং জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়,হামাস যেখানেই লুকিয়ে থাকে সেখানেই আমরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাই। আমাদের জিম্মিদের সফল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তা প্রমাণ করেছি। জিম্মিদের বাড়ি ফেরাতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুঃখজনকভাবে, আমরা জানি যে কিছু জিম্মি আর বেঁচে নেই।’দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় সবচেয়ে বড় এই নাসের হাসপাতাল। ভারী ট্যাঙ্ক এবং মেশিনগান নিয়ে হাসপাতালে ভেতর প্রবেশ করে ফায়ারিং করছে ইসরাইল বাহিনী। এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণের দেয়াল ভেঙে খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা এক বিবৃতিতে বলেন, সামরিক বাহিনী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজ ও তাঁবু লক্ষ্য করে এবং কম্পাউন্ডের ভেতরে গণকবরগুলোতে বুলডোজার চালিয়েছে।
সৈন্যরা হাসপাতাল প্রশাসনকে নিবিড় পরিচর্যা এবং নার্সারিসহ রোগীদের কম্পাউন্ডের একটি পুরানো অংশে স্থানান্তর করার নির্দেশ দিয়েছিল। ভেন্টিলেটরে থাকা ছয় রোগীকে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ৬৬৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৬৮ হাজার ৩৯৫ জন।
কিউএনবি/আয়শা/১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২৪