স্পোর্টস ডেস্ক : বুধবার (৩১ জানুয়ারি) নেপালের ১৬৯ রানের জবাবে ২৫.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। যুবাদের হয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন দুজন। ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন রহনাত দৌলা বর্ষণ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই মেরে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। আশিকুর রহমান শিবলি আউট হন ১৬ রান করে, তখন বাংলাদেশের দলীয় রান ৬৭। মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন ১৫ রান। ওপেনার জিশান আলম ও আরিফুল ইসলাম দুজনই ফিফটি করেন। ৪৩ বলে ৫৫ রান করে আউট হন জিশান। আহরার আমিন ১৭ বলে করেন ১২ রান। আরিফুল অপরাজিত থাকেন ৫৯ রান করে। ৩৮ বলের ইনিংসে ৭টি চার ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
এর আগে ব্যাট করে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে ৪৯.৫ ওভারে ১৬৯ রানেই থামে দেব খানালের দল। এদিন মাত্র ২৯ রানেই তিন উইকেট হারায় নেপাল। বাংলাদেশের পেসারত্রয়ী মারুফ-ইমন-বর্ষণ মিলে তিন উইকেট ভাগাভাগি করে নেন। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৫ রান তোলে নেপাল।
তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে অধিনায়ক দেব খানাল ও বিশাল বিক্রম মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ২৮তম ওভারের চতুর্থ বলে দেব জিশানের শিকারে পরিণত হন। ফলে ৬২ রানের জুটি ভাঙে। ৬০ বলে ৩ চারে ৩৫ রান করেন নেপালের অধিনায়ক। এরপর নেপাল কিছুটা গুছিয়ে নেওয়ার আগেই হন্তারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন শেখ পারভেজ জীবন। একে একে ফেরান গুলশান ঝাঁ, দীপক বহরা ও দীপেশ কান্দেলকে। ১২ রানের মধ্যে এই তিন ব্যাটারকে ফেরান জীবন।
দারুণ বল করতে থাকা বর্ষণ বল হাতে ফিরে বোল্ড করেন নেপালের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করা বিশাল বিক্রমকে। ১০০ বলে ৬ চারে ৪৮ রান করেন তিনি। নেপালের সংগ্রহ তখন ৪৩ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৮ রান। এরপর আকাশ চান্দও রানের খাতা খোলার আগেই বর্ষণের শিকারে পরিণত হন। শেষ উইকেট জুটিতে সুভাষ ভাণ্ডারী ও দুর্গেশ গুপ্ত মিলে ২৭ রান যোগ করেন। ১৪ বলে ৯ রান করে শেষ ব্যাটার হিসেবে বর্ষণের শিকারে পরিণত হন দুর্গেশ। সুভাষ ৩৪ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
কিউএনবি/আয়শা/০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/রাত ১২:৫০