সংবাদ সম্মেলনে সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত ববিতা গাজীপুরে থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। প্রায় ছয় মাস আগে তার পূর্বের স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ হলে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকায় এসে ভাড়া থাকতে শুরু করেন। পরে শিমুল আলী ওরফে শিমুল রেজার সাথে নিহত ববিতার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ববিতা শিমুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। তবে শিমুল বিয়েতে রাজি না থাকায় ববিতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী শিমুল স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার দ্বীন মোহাম্মদের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেয়। বাসা ভাড়া নেওয়ার দুইদিন পর ববিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শিমুল। পরে কক্ষের বাহির থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায় শিমুল। এঘটনায় নিহতের ভাই বাদশা মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আবুল মালেক বলেন, হত্যাকারী খুব চালাক প্রকৃতির। তিনি হত্যাকান্ডের পরে নিহতের ভোটার আইডি কার্ডসহ সমস্ত কাগজপত্র লোপাট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ববিতার পূর্বের স্বামীর সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়।প্রসঙ্গত, গত ২৮শে জানুয়ারি আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার দ্বীন মোহাম্মদের বাড়ি থেকে নিহত ববিতার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের ভাই বাদশা মিয়া বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
কিউএনবি/অনিমা/৩০ জানুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৪:৫৬