স্পোর্টস ডেস্ক : রোববার (২১ জানুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী। সেখানে তার কাছে আগের প্রকল্পগুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। যার অনেকগুলোর বাজেট বাড়ানো হলেও কাজের তেমন অগ্রগতি হয়নি।
পাপন বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, এর (কাজ দেরি হওয়া) পেছনে ব্যত্যয় আছে কি না, তা জানতে হবে। যদি যৌক্তিক কারণ থাকে, তাহলে তো আর কিছু বলার নেই। আর যদি স্পেসিফিক ওইরকম কিছু না থাকে, তাহলে সেগুলো আগামীতে কীভাবে এড়ানো যায়, সেগুলো এনশিউর করব।’ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে পাপন বলেন, ‘এগুলো সম্পর্কে আগে আমাকে জানতে হবে। না জেনে কিছু বলতে চাই না। আগে জানি, তারপর আপনাদের জানাব। এর জন্য পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম সংস্কার কাজের প্রথম ডিপিপি হয়, তখন বাজেট ছিলো ৮০ কোটি টাকা। সদ্য বিদায় নেওয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সেটিকে বাড়িয়ে করেন ৯৮ কোটি। তাতেও হয়নি, শেষ পর্যন্ত প্রকল্প ব্যায় ধরা হয়েছে ১৫৫ কোটি। বরাদ্দ বেড়েছে তরতর করে, কিন্তু কাজ হয়নি তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।
কিউএনবি/আয়শা/২১ জানুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৪:২৮