শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ জননিরাপত্তা ও মাদক মুক্ত সমাজ  গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর –  জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বাংলাদেশ কি সত্যিই দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি? ‎দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, লালমনিরহাটে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি শুরু নোয়াখালীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ ইরানের প্রেসিডেন্ট ‘নিরাপদে’ আছেন: ইরনা কত কেজি স্বর্ণের গহনায় বিয়ে হলো বিজয়-রাশমিকার? ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে আবারও বিসিবির নির্বাচন চান খালেদ মাহমুদ সুজন মোঃ রাইয়ান ইসলাম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে

অবমুক্তির অপেক্ষায় ৮ বিরল প্রজাতির শকুন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৩১ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশের চিরচেনা তীক্ষ দৃষ্টি সম্পন্ন বিশালাকার পাখি শকুন। বিলুপ্তপ্রায় বিরল প্রজাতির অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধারকৃত এসব শকুন এখন পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রকৃতিতে অবমুক্তির অপেক্ষায়। উত্তারাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় হিমালিয়ানসহ বিভিন্ন বিরল প্রজাতির উদ্ধারকৃত শকুন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আনা হয়।

এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত উদ্ধারকৃত বিরল প্রজাতির ৮টি শকুন এই কেন্দ্রে রয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হলে এসব উদ্ধারকৃত শকুনকে রক্ষা ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয় বলে জানান বীরগঞ্জ সিংড়া জাতীয় উদ্যানের বনবীট কর্মকর্তা গয়া প্রসাদ।

প্রশস্থ ডানার ওপর ভর করে এরা আকাশের অনেক ওপরে ওড়ে। এদের মাথা, গলা বা ঘাড়ে পালক নেই। এদের প্রবল ডানা ঝাপটা আর সমস্বর বিকট শব্দে মানুষজন বুঝতে পারে শকুন এসেছে। কিন্তু এখন আর সেই চিরচেনা শকুনের দেখা পাওয়া যায় না। বট, পাকুড় কিংবা অশ্বথের মতো বড় বড় গাছে সাধারণত লোকচক্ষুর অন্তরালে শকুন বাসা বাঁধে। এরা সাধারণত গুহায়, গাছের কোটরে বা পর্বতের চূড়ায় ১-৩টি সাদা বা ফ্যাকাশে ডিম পাড়ে। বিভিন্ন প্রাণীর মৃতদেহ শকুনের দল মুহূর্তেই খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। ফলে পচন ধরা গলিত মৃতদেহগুলো থেকে সংক্রামক রোগ ছড়াতে পারে না। শকুন দেখতে খুব সুন্দর পাখি তা নয়। কিন্তু নিঃসন্দেহে এরা মানবসমাজের জন্য উপকারী পাখি।
বীরগঞ্জের সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ৮ শকুনের জন্য গড়ে প্রতিদিন বয়লার মুরগী দেয়া হয়। এছাড়াও স্যালাইন পানি ও ওষুধ দেয়া হয় বলে জানায় শকুনের দেখভালের তদারককারী বেলাল হোসেন। প্রতিটি শকুনকে খাদ্য হিসেবে দু’দিন পর পর দেয়া হয় আধা কেজি বয়লার মুরগী।

বীরগঞ্জ সিংড়া জাতীয় উদ্যানের বনবীট কর্মকর্তা গয়া প্রসাদ জানান, হিমালয়ে শীতের প্রকোপ বাড়লে দল বেঁধে শকুনগুলো আসে এবং বড় বড় গাছে আশ্রয় নেয়। বিলুপ্ত প্রায় এই শকুন বিশেষ করে শীতের সময় অন্য এলাকা থেকে দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে অসুস্থ বা খাদ্যাভাবে ক্লান্ত অবস্থায় আসে। ঠিকমত উড়তে না পারায় সেসব শকুনকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের বীরগঞ্জের সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আনা হয়। একসময় পুরোপুরি সুস্থ হলে সেটিকে প্রকৃতিতে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে এসব শকুনকে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করে দেয়া হয়। বর্তমানে এখানে এধরনের ৮টি শকুন রয়েছে।

কিউএনবি/অনিমা/২০ জানুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৫:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit