আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ব্রাসেলসে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়ে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান লিখেছেন, ‘নাইটশিফ্টের সারসংক্ষেপ: ইউক্রেনে অতিরিক্ত অর্থের জন্য ভেটো।’ এর আগে ইইউ নেতারা জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনের জন্য সাহায্যের বিষয়ে আলোচনা আগামী বছরের শুরুতে পুনরায় শুরু হবে।
দীর্ঘ সময় ধরে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ায় ইইউ এবং মার্কিন অর্থায়নের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ইউক্রেন। ইইউ নেতারা ইউক্রেন এবং মলদোভার সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরু এবং জর্জিয়াকে প্রার্থীর মর্যাদা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরপরই কিয়েভের সহায়তা আটকে দেয়ার ঘোষণা দেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরেই ইইউতে ইউক্রেনের সদস্য হওয়ার বিরোধিতা করে আসছে হাঙ্গেরি।
এর আগে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেন ও মলদোভার সদস্যপদ নিয়ে দেশ দুটির সঙ্গে আলোচনা শুরু করার পক্ষে মত দেন জোটটির নেতারা। বিবিসি জানিয়েছে, ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক সম্মেলনে আট ঘণ্টা তর্ক-বিতর্কের পর ইউক্রেন ও মলদোভার সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্তে আসেন ইইউ নেতারা। কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের মুখপাত্র জানান, সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে কিয়েভের সঙ্গে এই আলোচনা শুরুর বিষয়ে আগে থেকেই মত ছিল না হাঙ্গেরির। কয়েক সপ্তাহ ধরেই এ সিদ্ধান্তে ভেটো দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল দেশটি। যদিও শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। তবে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান সেসময় কক্ষ ত্যাগ করেন। পরে ফেসবুকে এক বার্তায় তিনি জানান, ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ দেয়ার সিদ্ধান্ত একটা ‘খারাপ সিদ্ধান্ত’। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে হাঙ্গেরি থাকবে না। সেজন্য এই ভোটাভুটি থেকে দূরে থাকবে দেশটি।
কিউএনবি/আয়শা/১৫ ডিসেম্বর ২০২৩,/দুপুর ১২:২৪