স্টাফ রিপোর্টার,মনিরামপুর(যশোর): যশোরের মনিরামপুরে শুক্রবার সকালে পুলিশ একটি ব্রিজের পাশ থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের পাড়িয়ালী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হক দফাদারের ছেলে। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে মাষ্টার্স শেষ করে আরএফএল গ্রুপে চাকুরি করতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেন। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি পরিকল্পীতভাবে অপহরনের পর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তবে পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি।
জাহাঙ্গীর আলমের চাচাতো ভগ্নিপতি মামুনুর রশিদ জানান, ঢাকা কলেজ থেকে গণিতে মাষ্টার্স সম্পন্নের পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাত্র ছয়মাস আগে বিয়ে করেন। সরকারি চাকুরি না পাওয়ায় তিনি ঢাকাতে আরএফএল গ্রুপে চাকুরি করতেন। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে পরিবহনে করে মনিরামপুরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে রওনা হবার আগে সে বাড়িতে ফোন করে বলেছিলেন ভোর রাতে মনিরামপুর থেকে তাকে যেন কেউ এসে নিয়ে যান। সে মোতাবেক বাড়ির লোকজন ভোর চারটার দিকে মনিরামপুরে বাসষ্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান।
সকাল আটটার মনিরামপুর-নেহালপুর সড়কের সাতনল জোড়া ব্রিজের পাশে জাহাঙ্গীরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।নিহতের চাচাতভাই জাহিদুল ইসলামসহ স্বজনদের দাবি পরিকল্পীতভাবে তাকে অপহরনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে। মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহের সুরতহালের সময় শরীরে কোনপ্রকার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি উদঘাটনের জন্য গোয়েন্দারা এলাকায় কাজ শুরু করেছে।
কিউএনবি/অনিমা/০৮ ডিসেম্বর ২০২৩/রাত ৯:৩৫